সিবিআইকে সঠিক তথ্য দিচ্ছেন সন্দীপ ঘোষ? কতটা তথ্য আড়াল করছেন আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ?
টানা তিন দিন জেরা হয়ে গিয়েছে সন্দীপ ঘোষকে। আজ মঙ্গলবার ফের সিবিআইয়ের জেরা চলবে৷ আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ এখন কতটা চাপে? সেই প্রশ্ন রয়েছে। তার থেকেও বড় প্রশ্ন, কতটা জেরায় সাহায্য করছেন সন্দীপ?
সন্দীপ ঘোষ যে বয়ান রাখছেন, তাতে খুশি কি সিবিআই আধিকারিকরা? সেই প্রশ্ন উঠেছে। অন্দরের খবর, তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে কার্পণ্য করছেন সন্দীপ। তিন দিন জেরা হয়ে গেল সন্দীপ ঘোষকে৷ কিন্তু এখনও অনেক কিছু খাপছাড়া। সব পরিষ্কার করছেন না সন্দীপ ঘোষ?

কেন নির্যাতিতার বাবা - মাকে তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করানো হয়েছিল? কেনই বা প্রথমে আত্মহত্যার কথা বলা হল? কেন শুরুর দিকে এত গরিমসি করা হয়েছে? সন্দীপ ঘোষ সেই সময় অধ্যক্ষ ছিলেন আরজি কর হাসপাতালের। তিনি ওই ঘটনা জানতে পারার পর কী কী পদক্ষেপ করেন? সেই সব বিষয়ে প্রশ্ন করা হচ্ছে তাকে৷ কিন্তু ঝেড়ে কাশছেন না তিনি৷ সব কিছুতেই ধোঁয়াশা থাকছে কথায়৷
তাহলে কি এখনও কথা আড়াল করে যাচ্ছেন সন্দীপ? কাকে বা কাদের আড়াল করতে চাইছেন তিনি? মোবাইল ফোনের চ্যাটও তিনি ডিলিট করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। কী তথ্য লুকোতে চাইছেন তিনি? সিবিআই কি টানা জেরা করে তার থেকেই তথ্য বার করে আনবে?
আরজি কর হাসপাতালে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে প্রচুর অভিযোগ কান পাতলে শোনা যাচ্ছে। এখন সেই সব আরও বেশি করে প্রকাশ পাচ্ছে একটা অংশ থেকে৷ তবে সন্দীপ ঘোষের পক্ষেও কথা আসছে। সিবিআই হাসপাতালে তদন্ত করতে গিয়ে একাধিক কথা জানতে পারছে।
হাসপাতালের চার তলার সেমিনার রুম এলাকার দেওয়াল ভাঙার কথা কেন বলা হয়েছিল? সাত তাড়াতাড়ি কেন সেই জায়গা সংস্কার করতে বলা হয়? উপর থেকে কি সেই নির্দেশ এসেছিল? না কী নিজের ইচ্ছাতেই সন্দীপ ঘোষ এই নির্দেশ দিয়েছিলেন? সেই প্রশ্ন বেশি করে উঠছে।
এখনও সিবিআই নিজেদের হেফাজতে সন্দীপ ঘোষকে নেয়নি। ডেকে পাঠিয়ে দিনভর জেরা চলছে৷ এই অবস্থায় সত্য জানার জন্য পলিগ্রাফিক টেস্ট করার পথে হাঁটবে সিবিআই? সেই কথাও উঠছে গতকাল থেকে৷ তবে সেজন্য আদালতের নির্দেশ পেতে হবে৷ আদালতের নির্দেশ ছাড়া এই টেস্ট করা সম্ভব হবে না।












Click it and Unblock the Notifications