আম্বানির পর ডাক এল মিত্তালের, মমতার লন্ডন সফরে রাজ্যের বিনিয়োগে নয়া বার্তা
মুম্বইয়ে বণিকসভার বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছিলেন ভারতের প্রথম সারির শিল্পপতি রিলায়েন্স গ্রুপের কর্ণধার মুকেশ আম্বানির ডাক। এবার লন্ডনে গিয়ে পেলেন মিত্তালের ডাক।
উইম্বলডনে ভগিনী নিবেদিতার বাড়িতে হেরিটেজ ফলক বসানোর অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া তো উপলক্ষ মাত্র। লন্ডনে পৌঁছেই প্রকৃত লক্ষ স্থির করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লন্ডনে পা রাখতেই ডাক এল ইস্পাত টাইকুন লক্ষ্মী মিত্তালের। ফলে নিমেষেই রাজ্যে বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হল ফের। তাই ভগিনী নিবেদিতার বাড়িতে ব্লু প্লাক অনুষ্ঠান সেরেই তিনি যে আমন্ত্রণ রাখতে মিত্তালের বাড়িতে যাবেনই, তা স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুম্বইয়ে বণিকসভার বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছিলেন ভারতের প্রথম সারির শিল্পপতি রিলায়েন্স গ্রুপের কর্ণধার মুকেশ আম্বানির ডাক। সেইমতো তাঁর বাড়িতে গিয়ে একান্ত বৈঠকে রাজ্যের শিল্পে লগ্নি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। রিলায়েন্সের তরফে রাজ্যে বিনিয়োগ বার্তাও দিয়েছিলেন আম্বানি। এবার সেই সম্ভাবনা তৈরি হল লন্ডনে। এবার লক্ষ্মী মিত্তালের তলবে রাজ্যে বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হল।
বছরের শুরুতেই রাজ্যে বসছে বিশ্ববাংলা বাণিজ্য সম্মেলনের আসর। সেখানে লন্ডনের প্রথম সারির শিল্পপতি তথা বিশ্বের সেরা শিল্পপতিদের মধ্যে অন্যতম লক্ষ্মী মিত্তালকেও তিনি আহ্বান জানাবেন। খোদ মিত্তালই তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বাড়িতে আসার জন্য। ১৩ নভেম্বর অর্থাৎ সোমবার তিনি যাবেন সেই আমন্ত্রণ রাখতে। তখনই তিনি তাঁকে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলনে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানাবেন।
সেইসঙ্গে লন্ডনের আর এক শিল্পপতি স্বরাজ পলের বাড়িতেও তাঁর যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁকেও তিনি আহ্বান জানাবেন বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলনে। শুধু এটুকুতেই ক্ষান্ত নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ব্রিটেনের এডিনবার্গে রাজ্য সরকারের তরফে শিল্প সম্মেলনের আয়োজন করছেন। সেখানে তিনি বাংলার শিল্প সম্ভাবনার কথা তুলে ধরবেন।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি যখন লন্ডনে যাচ্ছেন ভগিনী নিবেদিতার লন্ডনের বাড়িতে হেরিটেজ ফলক স্থাপনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে, তখন রাজ্যে বিনিয়োগের সম্ভাবনা বাড়ানোই হবে তাঁর মুখ্য উদ্দেশ্য। সেই উদ্দেশ্যেই শিল্প মহলকে তিনি বার্তা দেবেন। শিল্পপতি লক্ষ্মী মিত্তলের বাংলা-যোগ রয়েছে। বাংলার শিল্প-সম্ভাবনায় সেটা একটা ইতিবাচক ব্যাপার।
মিত্তাল-রা এখন পর্যন্ত বাংলায় কোনও বিনিয়োগ করেননি। তাই এবার যদি ইস্পাত কারখানা খুলতে তিনি রাজি হন, তাতে বাংলার শিল্প সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যাবে অচিরেই।












Click it and Unblock the Notifications