বিদায় মৌসুমি বায়ুর, রাজ্য জুড়ে বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ১৯শতাংশ
বিদায় মৌসুমি বায়ুর, রাজ্য জুড়ে বৃষ্টির ঘাটতি প্রায় ১৯শতাংশ
অবশেষে দুদিন আগেই রাজ্য থেকে বিদায় নিল মৌসুমি বায়ু। গত আগস্ট-সেপ্টেম্বরে লাগাতার ভারী বৃষ্টির পরও হল না ঘাটতি পূরণ। জলবায়ু দফতর সূত্রে খবর এখনও পর্যন্ত গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে প্রায় ১৯ শতাংশ ও শুধুমাত্র কলকাতায় তা ১১ শতাংশের কাছাকাছি।

দাপট ছিল গ্রীষ্মের
গোটা গ্রীষ্মকাল জুড়েই বাতাসে তাপমাত্রার দাপট ছিল অব্যাহত, তার উপর আদ্রর্তার হারও ছিল বেশ চড়া। এই দুয়ে মিলে তীব্র ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল অবস্থা হয়েছিল গোটা বঙ্গবাসীর। অন্যদিকে দেশের জলবায়ু বিভাগ জানাচ্ছে গোটা আগস্ট জুড়ে কলকাতা ও রাজ্যজুড়ে ভারী বৃষ্টি হলেও দেশের বাকি অংশ সেই সময় ব্রাত্যই থেকেছে।

সেপ্টেম্বরে বৃষ্টি বেশি
শুধুমাত্র কলকাতায় গোটা আগস্ট জুড়ে বৃষ্টি হয় প্রায় ৫১৬ মিলিমিটার। এর মধ্যে ওই মাসে ১৬ ও ১৭ তারিখ মাত্র দুদিনে কলকাতায় বৃষ্টি হয় প্রায় ১৯৪ মিলিমিটার। যা স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ৬১ শতাংশ বেশি। অপরদিকে সেপ্টেম্বর মাসে কলকাতায় স্বাভাবিকের থেকে প্রায় ২৪ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয় বলে জানাচ্ছেন আলিপুর আবহাওয়া দফতরের ডিরেক্টর জিকে দাস।

জুনে ঘাটতি ছিল অনেক বেশি
অন্যদিকে বর্ষার এই খামখেয়ালি মেজাজের মাঝেই হাওয়া অফিস আরও জানাচ্ছে শুধুমাত্র জুন মাসেই কলকাতায় বৃষ্টির ঘাটতি পৌঁছে ছিল প্রায় ৬৯ শতাংশে। পাশাপাশি স্বাভাবিক নিয়মেই যেখানে জুলাইতে সবথেকে বেশি বৃষ্টি হওয়ার কথা সেই মাসেই বৃষ্টির ঘাটতি ছিল প্রায় ৫৬শতাংশের কাছাকাছি। যা বিগত কয়েক বছরের সমস্ত রের্ডককেই ছাপিয়ে গেছে বলে মত আবহাওয়া দফতরের।

অগাস্টের পর থেকে স্বস্তি
আগস্টের আগে পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্ব উপকূলে যে নিম্নচাপ অক্ষরেখা গুলি তৈরি হয় সেগুলি চারিত্রিক ভাবে দুর্বল হওয়ায় তা বৃষ্টির পক্ষে সহায়ক ছিল না বলেও মনে করছেন আবহাওয়া দফতরের বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে তারা এও জানাচ্ছেন আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহের পর থেকেই বঙ্গোপসাগরের উত্তর পশ্চিম উপকূলে কিছু গভীর নিম্নচাপ অক্ষরেখার তৈরি হতে দেখা যায়, মূলত যার জেরেই বাকি সময় গুলিতে বাংলাদেশ, উড়িষ্যা ও দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির দেখা মেলে।












Click it and Unblock the Notifications