লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ, ব্রিগেডে কেমন হচ্ছে মঞ্চ? মোট কটি ব্লক করা হয়েছে?
রবিবার সকালে এক লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান। তারই প্রস্তুতি চলছে। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মঞ্চ বাঁধার কাজও প্রায় অনেকটাই হয়ে গিয়েছে। আয়োজকদের মধ্যেও বাড়ছে ব্যস্ততা। কলকাতায় চলে এসেছেন শঙ্করাচার্য।
ব্রিগেডের প্রস্তুতির কেমন? সেই দেখতে শনিবার সেখানে গিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বহু সাধারণ মানুষ এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চান। এক লক্ষ ৩০ হাজারের বেশি মানুষ ব্রিগেডে আসতে চাইছেন। এমনই জানিয়েছেন শুভেন্দু৷ এবার প্রধানমন্ত্রী আসতে পারছেন না এই অনুষ্ঠানে।

২৪ ডিসেম্বর ব্রিগেডে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আসর বসছে। গেরুয়া পতাকা, ফেস্টুনে ভরে গিয়েছে বিগ্রেড। অখিল ভারতীয় সংসকৃত পরিষদ, সংস্কৃতি সংসদ ও মতিলাল ভারত তীর্থ সেবা মিশন আশ্রম এই গীতাপাঠের আয়োজক। এই গীতাপাঠে অংশ নেবেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজার হাজার সাধুসন্ত।
এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন মঠ ও মিশনের আশ্রমিক থেকে স্কুল পড়ুয়ারা। শুক্রবার গীতাপাঠের প্রস্তুতি পর্ব পরিদর্শনে এলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঞ্চ সমেত সব রকমের প্রস্তুতি ঘুরে দেখে তিনি। একজন স্বেচ্ছাসেবকের মতোই এই আয়োজনে সামিল হচ্ছেন বলে শুভেন্দুর দাবি।
অনুষ্ঠানে মোট ২০টি ব্লক তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি ব্লকে পাঁচ হাজার জন করে বসানো হবে। তিনটি মূলমঞ্চ হবে। একটি মঞ্চে থাকবেন দ্বারকার শঙ্করাচার্য স্বরূপানন্দ সরস্বতী। ইতিমধ্যেই শঙ্করাচার্য কলকাতায় উপস্থিত হয়েছেন বলে খবর।
অপর দুই মঞ্চে থাকবেন গীতা পাঠ করানোর দায়িত্বে থাকা সাধুসন্তরা। গীতার পাঁচটি অধ্যায় সেদিন পাঠ করা হবে। অনুষ্ঠান শেষ হতে প্রায় বেলা দুটো হবে বলে জানিয়েছেন অন্যতম প্রধান আয়োজক স্বামী নিগুড়ানন্দজি।
ওই দিন বেলা ১১টায় এই অনুষ্ঠান শুরু হবে ২০ হাজার শঙ্খধ্বনিতে। এরপর সমবেত কণ্ঠে কাজি নজরুল ইসলামের লেখা 'হে পার্থসারথি, বাজাও বাজাও পঞ্চ শঙ্খ' গানটি গাওয়া হবে। গীতার পাঁচটি অধ্যায়কে বেছে নেওয়া হয়েছে পাঠের জন্য। এছাড়াও প্রায় দেড় হাজার সাধুসন্ত ওইদিন ব্রিগেড ময়দানে শান্তিস্তোত্র পাঠ করবেন বলে জানা গিয়েছে।
আগামী কাল থেকেই ব্রিগেডে লোকজন চলে আসবে।মঞ্চের কাজও সব শেষ হয়ে যাবে। এমনই কথা বলা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications