পুরসভায় আসন ৩৫ হলেও, তৃণমূলের সরকারি প্রার্থী ৩৮! মহেশতলায় বাড়তি ৩ প্রার্থী নিয়ে ধোঁয়াশায় বিদায়ী পুরপ্রধান
এবার প্রথম তালিকা কিংবা দ্বিতীয় তালিকা নিয়ে দ্বন্দ্ব নয়, ৩৫ আসনের মহেশতলা (maheshtala) পুরসভার (municipality) নির্বাচনে (Election) তৃণমূলের (Trinamool Congress) সরকারি প্রার্থী ৩৮ জন। কীভাবে বাড়তি তিনজন প্রার্থী দলের প
এবার প্রথম তালিকা কিংবা দ্বিতীয় তালিকা নিয়ে দ্বন্দ্ব নয়, ৩৫ আসনের মহেশতলা (maheshtala) পুরসভার (municipality) নির্বাচনে (Election) তৃণমূলের (Trinamool Congress) সরকারি প্রার্থী ৩৮ জন। কীভাবে বাড়তি তিনজন প্রার্থী দলের প্রতীকে মনোনয়ন জমা দিলেন, তা নিয়ে ধন্ধ তৈরি হয়েছে তৃণমূলের অন্দর মহলে। বুধবার ছিল মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। তারপরেই এই বিষয়টি সামনে এসেছে।

৩৫-এর কেন্দ্রে প্রার্থী ৩৮
মহেশতলা পুরসভায় আসন সংখ্যা ৩৫। কিন্তু এবার সেখানে তৃণমূলের তরফে মনোনয়ন জমা করেছেন ৩৮ জন। ২০, ৩৪ এবং ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে এই বাড়তি মনোনয়ন জমা পড়েছে। সেখানেই প্রশ্ন উঠছে কীভাবে বাড়তি তিনজনকে প্রতীক দিল তৃণমূল কংগ্রেস। আর একই ওয়ার্ড থেকে কীভাবে দুজনকে মনোনয়ন। আরও একটি নয়, তিনটি ওয়ার্ড থেকে এই মনোনয়ন জমা পড়েছে।

ধন্ধে বিদায়ী পুরপ্রধান
এব্যাপারে সংবাদ মাধ্যমের তরফে মহেশতলার বিদায়ী পুরপ্রধান দুলাল দাসকে প্রশ্ন করা হলে তিনিও ধন্ধের মধ্যে বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দল তালিকা চেয়েছিল। সবশেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং সুব্রত বক্সির লিস্ট অনুযায়ী সবাই মনোনয়ন পাবেন। কীভাবে বাড়তি তিনজন প্রতীক পেল, তা দল দেখবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শাসকদলের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে
তৃণমূলের মনোনয়ন কাণ্ড নিয়ে বিভ্রান্ত এলাকার সাধারণ মানুষ। তবে অনেকেই বলছেন, শাসকদলের দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে এসে পড়েছে।

প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই অসন্তোষ মহেশতলায়
তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই অন্যসব জায়গায় মতো অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছিল মহেশতলাতেও। ১০ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থীকে নিয়ে অসন্তোষ দেখার জেরে রাস্তা অবরোধ পর্যন্ত করেন তৃণমূল নেতা-কর্মীদের একটা অংশ। এবার তৃণমূলের তরফে ১০ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী করা হয়েছে সুমন রায়চৌধুরীকে। ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে সরিয়ে তাঁকে ১০ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী করা হয়। সুমন রায়চৌধুরীকে সরানোর দাবিতে করা অবরোধ নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে ব্যাপকভাবে লাঠি চালাতেও দেখা গিয়েছে। ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী তৃণমূল কাউন্সিলর রিনা দাস দাবি করেন, নিজের ওয়ার্ড থেকে ঝাঁটা-জুতো দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে সুমন রায়চৌধুরীকে।

দুলাল দাস কীভাবে প্রার্থী সেই প্রশ্নও উঠেছিল
এক ব্যক্তি এক পদের নিরিখে তৃণমূল এবার প্রার্থী তালিকা তৈরি করেছে। কিন্তু সেই নিরিখে দুলাল দাসের প্রার্থী হওয়ার কথা নয়। কিন্তু তাঁকে মহেশতলার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রার্থী করে তৃণমূল। যা নিয়ে শুধুমাত্র মহেশতলাতেই নয়, অন্য জায়গার তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অন্যদিকে দুলাল দাস জানিয়েছিলেন, তিনি রাজি না থাকলেও, দল তাঁকে প্রার্থী করেছে।












Click it and Unblock the Notifications