তৃণমূলের 'দিদিকে বলো'র অনুকরণ, 'মন্ত্রীকে বলো' আনছে বিজেপি
তৃণমূলের 'দিদিকে বলো'র অনুকরণ, 'মন্ত্রীকে বলো' আনছে বিজেপি
কেন্দ্রে প্রায় ৭ বছর ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি সরকার৷ স্বাভাবিকভাবেই প্রতিষ্ঠানবিরোধী হাওয়া রয়েছে৷ পাশাপাশি ২০২২ পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোট রয়েছে৷ স্বাভাবিকভাবেই এবার সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগের জন্য নানারকম প্রকল্প নিতে চলেছে বিজেপি। তবে এক্ষেত্রে তৃণমূলের ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের মস্তিষ্ক প্রসূত 'দিদি কে বলো'কেই অনুসরণ করতে চলেছে বিজেপি৷

একুশের বিধানসভা ভোটের বেশ কিছুদিন আগে পশ্চিমবঙ্গে 'দিদি কে বলো' শুরু করেছিল তৃণমূল। যেখানে রাজ্যবাসী সরাসরি ফোন কলের মাধ্যমে নিজেদের অভাব অভিযোগ সরসারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (যিনি বঙ্গ রাজনীতিতে দিদি নামেই পরিচিত) জানাতে পারতো৷ এবং তার সমাধানের চেষ্টা করা হল তৃণমূল সরকারের পক্ষ থেকে৷ সূত্রের খবর প্রায় এই একই মডেল পাঁচ রাজ্য অনুকরণ করতে চলেছে বিজেপি।
২০২২ এ পঞ্জাব উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, গোয়া ও মণিপুরে ভোট রয়েছে এর মধ্যে পঞ্জাব বাদে বাকি রাজ্যগুলোতে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি৷ এই চার রাজ্যের ভোটারদের রাগমোচনেই এবার মন্ত্রীকে বলো শুরু করতে চলেছে বিজেপি৷
বিজেপি সূত্রের অবশ্য দাবি, মানুষ যাতে আরও বেশি করে সরাসরি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের অভিযোগ জানাতে পারেন এবং সমস্যার যাতে সমাধান হয় সেই লক্ষ্যেই দলের সমন্বয় শাখা ওই উদ্যোগ নিয়েছে।
তবে তৃণমূল যেমন শুধু ফোনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিযোগ জানানোর পদ্ধতি রেখেছিল এখানে একটু আলাদা বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা সরাসরি কথা শুনবেন সাধারণ মানুষের। বিজেপি সূত্রের খবর দলের সমন্বয় শাখা এই উদ্যোগ নিয়েছে৷ প্রতি সপ্তাহে যে কোনও একটি নির্দিষ্ট দিনে বিজেপির রাজ্য সদর দফতরে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য, ক্রীড়া ও তথ্য-সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর, কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু, রেলমন্ত্রী ও ইলেকট্রনিকস এবং তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণোর মতো একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেখানে সরাসরি সাধারণ মানুষ যেমন মন্ত্রীদের অভিযোগ জানাতে পারবেন সেরকমই তাদের অভিযোগের পর সেই বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হল তা সমন্বয় শাখার মাধ্যমে জানতে পারবেন সাধারণ মানুষ৷












Click it and Unblock the Notifications