গ্রেনেডের পর আইইডি! শান্তি প্রক্রিয়ার মধ্যেই ধারাবাহিক বিস্ফোরণ অব্যাহত পাহাড়ে
পাহাড়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেই চলেছে। দার্জিলিংয়ের চকবাজার দিয়ে শুরু, ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে কালিম্পং থানায় গ্রেনেড হামলা হয়। আবারও অকুস্থল সেই কালিম্পং।
গ্রেনেড বিস্ফোরণের পর গাড়ি বোমা বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কালিম্পং। এবার গাড়ি থেকে ছোড়া হল আইইডি। শনিবার সকালে কালিম্পংয়ের সাতাশ মাইলে একটি ট্রাকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, পাঁচজন দুষ্কৃতী গাড়ি থামিয়ে বোমা মেরে পালিয়ে যায়। তবে এ যাত্রায় রক্ষা পায় ট্রাকটির চালক ও খালাসি।
এর আগে চারবার পাহাড়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। দার্জিলিংয়ের চকবাজার দিয়ে শুরু, তারপর ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে কালিম্পং থানায় গ্রেনেড হামলা হয়। বুধবার রাতে সুখিয়াপোখরি থানা লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোড়া হয়। তারপর বৃহস্পতিবার পেশকে বিস্ফোরণ হয়। ব্রিজ ওড়াবার পরিকল্পনায় এই নাশকতা চালানো হয়েছিল। শনিবার সকালে ট্রাক লক্ষ্য করে আইইডি বিস্ফোরক ছুড়ল দুষ্কৃতীরা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছ, শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাচ্ছিল ট্রাকটি। সেইসময়ই জনা পাঁচেক দুষ্কৃতী বোমা ছোড়ে ট্রাক লক্ষ্য করে। আগাম বুঝতে পেরে গাড়ি থামিয়ে নেমে পড়ে চালক ও খালাসি। ফলে বরাত জোরে বেঁচে যান তাঁরা। গাড়িটিতে আগুন ধরে যায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘিরে ফেলে এলাকা। তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
এদিকে পাহাড়ে শান্তি ফেরানোর প্রক্রিয়া যখন শুরু হয়েছে, তখন বারবার বিস্ফোরণের ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে। এই ঘটনার পিছনে মাওবাদী যোগ রয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান তদন্তকারীদের। সেইসঙ্গে মোর্চা নেতৃত্বের যোগ পেয়েছে পুলিশ। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের ঘটনায় মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুং-সহ পাঁচজন নেতার বিরুদ্ধে ইউএপিএ ধারায় মামলা রুজু হয়। তাঁদের খোঁজে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। কিন্তু তারপরও বিস্ফোরণ থামছে না। একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটেই চলেছে।












Click it and Unblock the Notifications