"আমি সব ফেলে বিজেপিতে এসেছি", শুভেন্দু অধিকারী কেন বললেন এই কথা?
"আমি সব ফেলে দিয়ে বিজেপিতে এসেছি।" সায়েন্স সিটির মঞ্চ থেকে জোর গলায় এই বার্তা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সনাতন হিন্দু ধর্মের প্রতি তাঁর অগাধ আস্থা। তিনি বিজেপিতে থেকে অবসর নেবেন। এমনই ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
কলকাতা সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে রাজ্য বিজেপির কর্মসূচি অনুষ্ঠান। নির্বাচনে হারের কারণ সম্পর্কে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সেই সম্পর্কে বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস বিধানসভা উপ নির্বাচনের ভোট লুট করেছে। হিন্দুদের ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। এই অভিযোগ করলেন তিনি।

" ২০২৬ সালে আমাকেও ভোট দিতে দেবে না। ৫০ জন জিহাদি বসে থাকবে বাড়ির সামনে। পুলিশ নীরব দর্শকের আসন গ্রহণ করবে।" জোর গলায় এমন মন্তব্য করেন শুভেন্দু। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের এখনই জেগে উঠতে হবে। সেই বার্তাও দিলেন তিনি।
রাজ্যে উপদ্রুত আইন কার্যকর করতে হবে। আরও একবার সেই দাবি করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এপিক কার্ড দেখিয়ে রাজ্যে ভোট করাতে হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এপিক কার্ড দেখাতে হবে। সেই দাবি তুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। উপ নির্বাচনে হিন্দুদের একটা অংশকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। বহু ভোটারকে ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, " আমি সব ছেড়ে বিজেপিতে এসেছি। আমি বিরোধী দলনেতা। সংগঠনের দায়িত্বে নেই। কখনও সংবাদ মাধ্যমেত এমন কিছু বলি না, যাতে বুথের কর্মী, ভোটাররা হতাশ হয়।" তৃণমূল ভোট লুট করে নির্বাচনে জয়ী হচ্ছে। আগামী দিনে ভারতবর্ষে পশ্চিমবঙ্গ থাকবে না। এই কথা বলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, কোচবিহারের হাতছাড়া হবে। বিজেপির কেউ আশা করেননি। মেদিনীপুরের অধিকারী পরিবার ব্রিটিশ আমল থেকে লড়ছে। অনেক কিছু পেয়েওছে। শুভেন্দু অধিকারীর নিজের জন্য কিছু চান না৷ কিছু পাওয়ার প্রয়োজন নেই তাঁর। কেবল তিনি বাংলায় গণতন্ত্র ফিরে পেতে চান।












Click it and Unblock the Notifications