রাজ্য বিজেপির কে কী বলল শুনতে আগ্রহী নই, শোকজ নিয়ে বললেন সৌমিত্র খাঁ
সংবাদমাধ্যম এবং সোশ্যালমিডিয়াতে জোর জল্পনা বাবুল এবং সৌমিত্রকে শোকজ করেছে বিজেপি। সে নিয়ে এবার মুখ খুললেন সৌমিত্র। ওয়ানইন্ডিয়াবাংলাকে সৌমিত্র বলেন, 'রাজ্য বিজেপির কে কী বলল সেটা নিয়ে আগ্রহী নই।'

কী বলছেন সৌমিত্র খাঁ
ওয়ানইন্ডিয়াবাংলাকে সৌমিত্র বলেন, 'আমি যুব মোর্চার পদ ছাড়ার কথা জানিয়ে দিয়েছি। আমার কাছে কোন শোকজ লেটার আসেনি বিজেপির তরফে৷ রাজ্য বিজেপির কে কী বলল সে নিয়ে আমি মোটেও আগ্রহী নই৷ নিজের লোকসভায় কাজ করব। আজীবন বিজেপি থাকব।

শোকজ নিয়ে কী বলছে বঙ্গ-বিজেপি মিডিয়া সেল?
পশ্চিমবঙ্গ মিডিয়াসেলের পক্ষ থেকে ওয়ানইন্ডিয়াবাংলাকে বলা হয়, 'বাবুল সুপ্রিয় বা সৌমিত্র খাঁ-কে কোনও শোকজ চিঠি পাঠানোর খবর সত্য নয়। অন্য কোন জায়গা থেকেও কোনও চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই৷

কী নিয়ে বিতর্ক?
সম্প্রতি কেন্দ্রীয়মন্ত্রী সভা সম্প্রসারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী৷ সেখানে বাংলা থেকে পদ হারিয়েছেন দু'জন। আবার নতুন চারজন বাংলা থেকে জায়গা পেয়েছেন৷ বাংলার চার নতুন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এরপর যুবমোর্চার পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা ওয়ানইন্ডিয়াবাংলাকে সবার আগে জানিয়েছিলেন সৌমিত্র খাঁ। এরপরই একটি ফেসবুক পোস্টে এসে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ও বঙ্গ-বিজেপির অন্যতম বড় মুখ শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ করেন সৌমিত্র। নিজের বক্তব্যে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকেউ আক্রমণ করতে ছাড়েননি বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ।
অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ঘোষণা হওয়ার দিন-ই একটি ফেসবুকে পোস্টে বাবুল সুপ্রিয় লেখেন, যদি ধোয়া ওঠে তাহলে জানবেন কোথাও না কোথাও আগুন ঠিকই লেগেছে৷ সংবাদমাধ্যমের বন্ধুরা যারা ফোন করছেন তাদের জানাই, হ্যাঁ আমাকে ইস্তফা দিতে বলা হয়েছি৷ আমি সেটাই করেছি। নিজের জন্য দুঃখিত কিন্তু নতুন যারা দায়িত্ব নেবেন তাদের জন্য খুশি৷ এরপর এই দুই সাংসদের বিরুদ্ধেই সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলেছিলেন দিলীপ।

কী বলেছেন দিলীপ?
শুক্রবার একটি সাংবাদিক সম্মেলনে দিলীপ ঘোষ বলেন, 'যুব নেতা তো এ ধরণের অর্বাচীন কাজকর্ম করাটা স্বাভাবিক। বিজেপিতে এসেছেন, বুঝতে সময় লাগছে, বুঝে যাবেন। প্রথম প্রথম ছোটদের দোষ মাফ করে দিই আমরা। তাঁর যদি বয়সের সঙ্গে ম্যাচুরিটি না আসে তাহলে তার জন্যও পার্টিতে ব্যবস্থা আছে। সব ব্যবস্থা হবে। পাগলামিরও একটা সীমা থাকে৷

বাবুলকে কী বলেছেন দিলীপ ঘোষ?
একটি বাংলা সংবাদমাধ্যমের খবর, বাবুলের এরকম ফেসবুক স্ট্যাটাসে বিরক্ত দিলীপ। উনি জানিয়েছেন, এতজন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন কই কেউ তো এরকম পোস্ট করেননি! ওঁর এরকম পোস্ট করার কোনও দরকার ছিল না!












Click it and Unblock the Notifications