ঘরে পা দিয়েই দেখেন প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় স্ত্রী! পরকীয়ায় নির্মম পরিণতি
সাতসকালেই হইহই-কাণ্ড। খাল থেকে উদ্ধার হয়েছে এক যুবকের মুণ্ডহীন দেহ। শুধু মুণ্ডহীনই নয়, হাত-পাও নেই সেই দেহে। কার দেহ ভেসে এস খালে? ক্রমশ প্রকাশ্য নির্মম ঘটনা প্রবাহ।
সাতসকালেই হইহই-কাণ্ড। খাল থেকে উদ্ধার হয়েছে এক যুবকের মুণ্ডহীন দেহ। শুধু মুণ্ডহীনই নয়, হাত-পাও নেই সেই দেহে। কার দেহ ভেসে এস খালে? পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। বুধবার সকালে মধ্যমগ্রামের দক্ষিণজোড়া গ্রামের খাল থেকে দেহ উদ্ধারের পরই প্রকাশ্যে আসে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। জানা যায়, ওই দেহ স্থানীয় যুবক হাসান আলির।

কেউ হাসানের মাথা ধড় থেকে আলাদা করে দিয়েছে, কেটে নিয়েছে হাত-পা। ধড়ের সন্ধান পেলেও, মাথা, হাত ও পায়ের খোঁজ মেলেনি। কিন্তু কে করল এমন নৃশংস কাজ, কেনই বা করল? তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, হাসানের সঙ্গে পরকীয়া ছিল প্রতিবেশী আরজিনা বিবির। এই বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক সম্বন্ধে জানতেন স্থানীয়রাও। আগে একাধিকবার সালিশি সভা বসিয়ে মিটমাটের চেষ্টা করা হয়েছিল।
কিন্তু হাসান বা আরজিনা কেউই সম্পর্ক ছেড়ে বেরিয়ে আসেনি। হাসানের দেহ উদ্ধারের পর স্বভাবতই পুলিশ জেরা শুরু করে আরজিনা ও তাঁর স্বামীকে। তাঁদের জেরা করতেই প্রকাশ হয়ে পড়ে মর্মান্তিক কাহিনি। মঙ্গলবার বাড়িতে ফিরেই হাসানের সঙ্গে স্ত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেছিলেন আরজিনার স্বামী। তখনই রাগ চড়ে গিয়েছিল মাথায়।
হাসান সেই মুহূর্তে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও আরজিনার স্বামী ধাওয়া করে তাকে ধরে ফেলে। তারপর চপারের আঘতে ধড় থেকে তার মাথা আলাদা করে দেয় আরজিনার স্বামী। নৃশংসতার এখানেই শেষ নয়, হাসানের হাত-পাও কেটে ফেলা হয়। তারপর বাড়ির পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয় দেহ। এই কাজে স্বামীকে সহযোগিতা করে আরজিনাও। পুলিশের কাছে তাঁরা অপরাধ স্বীকার করেছে বলে দাবি। দুজনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার রাতে বাড়ি ফেরেনি হাসান। হঠাৎ নিঁখোজ হয়ে যাওয়ায় বিস্তর খোঁজাখুঁজি শুরু করেছিলেন পরিবারের লোকেরা, স্থানীয় বন্ধুবান্ধবরা। কিন্তু কোনও সন্ধানই মেলেনি। এরপর সকালে খালে মুণ্ডহীন দেহ উদ্ধারের পরই বোঝা যায় ওই দেহ হাসানের। বাড়ির লোকেরাও দেহ শনাক্ত করেছে। আরজিনা ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আনা হয়েছে হাসানের পরিবারের তরফে।












Click it and Unblock the Notifications