'পক্ষপাতদুষ্ট মানবাধিকার কমিশনের দল, বিজেপির ঘনিষ্ঠতা রয়েছে'! হাইকোর্টে কড়া জবাব রাজ্যের
ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে নয়া মোড়। গত কয়েকদিন আগেই ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে বিস্ফোরক রিপোর্ট জমা দেয় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি দল। কার্যত এই রিপোর্ট ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। এবার পাল্টা কড়া ভাষায় রিপোর্টের
ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে নয়া মোড়। গত কয়েকদিন আগেই ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে বিস্ফোরক রিপোর্ট জমা দেয় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি দল। কার্যত এই রিপোর্ট ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। এবার পাল্টা কড়া ভাষায় রিপোর্টের উত্তর দেওয়া হল রাজ্যের তরফে।

এই মামলাতে গিতব কয়েকদিন আগেই মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টের পাল্টা হলফনামা জমা দিতে চায় রাজ্য। সেই মর্মে আদালতের কাছে আবেদনও করা হয়। আবেদনের ভিত্তিতে তা আদালত মঞ্জুর করে। সেই মতো আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্টে মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কার্যত প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
রাজ্যের দাবি পক্ষপাতদুষ্ট মানবাধিকার কমিশন। একেবারে এক্তিয়ার বহির্ভুত কাজ করেছে কমিশন। কমিশনের দেওয়া রিপোর্টের জবাবে এমনটাই দাবি করা হয়েছে রাজ্যের তরফে।
শুধু তাই নয়, রিপোর্টের রাজ্যের তরফে আরও দাবি করা হয়েছে যে, মানবাধিকার কমিশনের এই দল রাজ্য সরকার বিরোধী। শুধু তাই নয়, মানবাধিকার কমিশন ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে যে দল বানিয়েছে তাঁদের কারোর কারোর সঙ্গে বিজেপি কিংবা কেন্দ্রীয় সরকারের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। মানবাধিকার কমিশন বেছে বেছে এই নিয়োগ করেছে বলেও হাইকোর্টে জমা দেওয়া রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে রাজ্যের তরফে।
রিপোর্টে রাজ্যের তরফে আরও বলা হয়েছে যে, এই দলের কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। একটা বিপুল ভোটে জিতে আসা নির্বচিত সরকারকে কালিমালিপ্ত করতেই এই রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে বলে দাবি।
রাজ্যের মতে, রাজ্যের পক্ষে নেতিবাচক রিপোর্ট দেওয়ার জন্যেই কমিশনের প্রতিনিধি দল কাজ করেছে। এমনকি মানুষের মিথ্যা সাক্ষ্য আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে রাজ্যের তরফে। রাজ্য বলছে, বিজেপির এখনও বহু নেতা রাজ্যে তৃমুলের বিপুল জয়কে মেনে নিতে পারছে না।
আর সেই কারণে এহেন মিথ্যা অভিযোগ বারবার তোলা হচ্ছে বলেও আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্টে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে মানবাধিকার কমিশন তাঁদের রিপোর্টে যে সমস্ত অভিযোগ সামনে এনেছে তা রাজ্যের তরফে সম্পূর্ণ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে ভোটের পর থেকে কোনও অশান্তি ঘটেনি রাজ্যে। কড়া হাতে রাজ্য প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে দাবি রিপোর্টে।
উল্লেখ্য কবি গুরুর কবিতার লাইন তুলে ধরে রাজ্যকে আক্রমণ করা হয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে। শুধু তাই নয়, অবিলম্বে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন বলে মনে করা হয় ওই রিপোর্টে।
শুধু তাই নয়, এই রাজ্যে বাইরে শুনানির প্রয়োজন বলেও মানবাধিকার কমিশনের তরফে জমা দেওয়া রিপোর্টে বলা হয়। রিপোর্ট বলছে, গত ২ মাসে রবীন্দ্রনাথের মাটিতে খুন, ধর্ষণ, ভিটেছাড়া হতে হয়েছে মানুষকে। এই ধরনের উদ্বেগজনক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ না হলে ছড়িয়ে পড়বে অন্য রাজ্যে। ভারতের মতো মহান দেশে গণতন্ত্রের মৃত্যুঘণ্টা বেজে যাবে। এই হিংসা অবিলম্বে বন্ধ করা দরকার।
আদালতের কাছে কমিশনের সুপারিশ, একাধিক মামলার শুনানি প্রয়োজন। ভোটের পর থেকে একের পর এক ধর্ষণ, খুনের মতো ঘটনা ঘটেছে। সেখানে দাঁড়িয়ে আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পেশাল তদন্তকারী দল গঠনের উপর জোর দেওয়া হয়। এই রিপোর্ট ঘিরে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তাঁর দাবি, পক্ষপাতমূলক রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। কারা এই রিপোর্ট পেশ করেছে তাঁদের পরিচয় আমি জানি। কিন্তু বলব না। তবে আদালতকে আমি সম্মান করি












Click it and Unblock the Notifications