'সেনিয়ারের পর 'দিতওয়া'! ধেয়ে আসছে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়, কতটা বিপদের মুখে বাংলা?
নভেম্বরের শেষের দিকে, গ্রীষ্মের আবহাওয়ার পতন ঘটে হালকা হালকা শীতের অনুভূতি পাওয়া গিয়েছিল। সেই শীতের আবহাওয়া এখন ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ঝড়ো আবহাওয়ায়। একের পর এক নিম্নচাপ দেখা দিচ্ছে। সেনিয়ারের পর এখন আবার 'দিতওয়া' নামের এখন নতুন ঘূর্ণিঝড় সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

সেনিয়ার মূলত উপকূল বিশেষত দক্ষিণবঙ্গ বা উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে প্রভাব ফেলবে। কিন্তু জানা যাচ্ছে আপাতত সেনিয়ার ঝড়টি পাকিস্তান-এর দিকে সরে গিয়েছে। এই সময় আরেকটি আলাদা ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও শ্রীলঙ্কার উপকূলবর্তী সমুদ্রে একটি গভীর নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। সেই ঘূর্ণিঝড়ের নাম 'দিতওয়া'।
বর্তমানে 'দিতওয়া' ঝড়টি তার গতিপথে উত্তর থেকে উত্তর-পশ্চিমের দিকে এগোচ্ছে। আবহাওয়া দফতর এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই ঝড় ৩০ নভেম্বরের দিকে উত্তর তামিলনাড়ু থেকে দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলবর্তী অঞ্চলে আছড়ে পড়তে পারে।
এই ঝড়টি হওয়ার সম্ভাবনা তীব্র রয়েছে। ঘণ্টায় ৮০-৯০ কিমি বা তার বেশি শক্তিশালী বাতাস সহ ভারী থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, 'দিতওয়া'-র মূল গন্তব্য হল তামিলনাড়ু, পুদুচেরি ও দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ। তাই পশ্চিমবঙ্গে সরাসরি এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা আপাতত অনেক কম।
আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে যে, সেনিয়ার থাকাকালীন পশ্চিমবঙ্গের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। আবহাওয়া পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। কিন্তু আবহাওয়া অফিস স্পষ্ট করে বলেছে, এ মুহূর্তে ঝড়ের সরাসরি প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কম। আবহাওয়া দ্রুতই পরিবর্তন হচ্ছে, এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস সবসময় সঠিক পাওয়া যাচ্ছে না।
সাম্প্রতিক সময় দেখা যাচ্ছে, একের পর এক নিম্নচাপ হয়েই চলেছে বঙ্গোপসাগর ও তার আশেপাশে। ফলে ঝড়ো বাতাসের বৃদ্ধি, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, জলোচ্ছ্বাস এসবের ঝুঁকি বাড়ছে। উপকূলবর্তী এলাকার মানুষ এবং মৎস্যজীবীরা যাঁরা সমুদ্র বা নদীরকাছে বসবাস করেন তাঁদের জন্য সতর্ক থাকা জরুরি।












Click it and Unblock the Notifications