কপিল মুনির মন্দির সম্পর্কে কতটা উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী? কী বললেন বিধানসভায়?
সাগরে কপিল মুনির মন্দির। লক্ষ লক্ষ পূর্ণার্থী প্রতি বছর সেখানে যায়। এই মন্দির নিয়েও দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে। সমুদ্র অনেকটাই কাছে চলে এসেছে। মন্দিরের কাছাকাছি জায়গার পাড় ভাঙতে চলেছে। বিধানসভায় সোমবার কপিল মুনির আশ্রম সম্পর্কে বক্তব্য রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সুন্দরবন নিয়ে একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি হবে। এই কথা আরও একবার বিধানসভায় বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্যে উঠে এল কপিল মুনি আশ্রম প্রসঙ্গ। এই মন্দির ঘিরে প্রতি বছর গঙ্গাসাগর মেলা অনুষ্ঠিত হয়। রাজ্য সরকার এই মেলা আয়োজন করে।

রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের উদাসীনতা, ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সাগরে কপিল মুনি আশ্রম প্রসঙ্গ উঠে আসে তাঁর কথায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, " গোসাবা ছড়িয়ে সুন্দরবনের অনেকটা ক্ষতির মুখে।কপিল মুনির আশ্রমেরও ক্ষতি আটকানো যাচ্ছে না।"
কপিল মুনির আশ্রমের সামনের কিছু অংশে সাগরের জল এসে আঘাত করছে। পাড়ের বেশ কিছু অংশ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত। দিন কয়েক আগেই এই ভাঙন শুরু হয়েছে। সাগর থেকে কপিল মুনির এই মন্দির এখন ৫০০ মিটারেরও কম বলে জানা গিয়েছে। সাগর ক্রমশ এগিয়ে আসছে। এই মন্দিরও কি জলের তলায় চলে যাবে? সেই প্রশ্ন উঠে আসছে। কপিল মুনির আরও একটি মন্দির ছিল। সেটি সমুদ্রের গ্রাসে চলে গিয়েছে বছর আগে। তারপর এই মন্দির তৈরি করা হয়।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, " গঙ্গাসাগর মেলা এক টাকাও পায় না। আমাদের খরচ করতে হয়। কেন্দ্র কিছু করে না। মুড়িগঙ্গার উপর একটা ব্রিজ হবে। ডিপিআর হয়ে গিয়েছে। হাজার কোটির উপর খরচ হবে। সুন্দরবন নিয়ে একটা মাস্টার প্ল্যান করা উচিত আগেই বলেছি।"
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, " ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান কবে থেকে ঝুলছে। এটার অফিস চলে গিয়েছে বিহারে। এটা নিয়ে আমাদের ডিপিআর হয়ে গিয়েছে। বেশ কয়েক হাজার কোটি খরচ হবে। দু'তিন বছর লাগবে। তবে আশপাশের মানুষ উপকৃত হবে। মানস ভুঁইয়ার মুখে শুনি কেলেঘাই কপালেশ্বরীর কথা। ৭০০ কোটি টাকার বেশি খরচ হয়েছে।"












Click it and Unblock the Notifications