কোচবিহারের রবীন্দ্রনাথের পথেই হুগলির তপন দাশগুপ্ত! কড়া সিদ্ধান্ত মমতার
হুগলি জেলা তৃণমূলের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল তপন দাশগুপ্তকে। তাঁর জায়গায় বসানো হয়েছে দিলীপ যাদবকে।
হুগলি জেলা তৃণমূলের সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল তপন দাশগুপ্তকে। তাঁর জায়গায় বসানো হয়েছে দিলীপ যাদবকে। এর সঙ্গে ৪ জনকে
কার্যকরী সভাপতি করা হয়েছে হুগলিতে। তাঁরা হলেন বেচারাম মান্না এবং মানস মজুমদার, প্রবীর ঘোষাল এবং অসীমা পাত্র। চেয়ারম্যান করা হয়েছে রত্না দে নাগকে।

বৈঠকের পরেই সিদ্ধান্ত
সূত্রের খবর অনুযায়ী, এদিন বিধানসভায় হুগলির বিধায়কদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা গিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীকে। এরপরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।

কাটমানি ফেরতের দাবিতে বাড়ির সামনে বিক্ষোভ
শুক্রবার তপন দাশগুপ্তের বাড়িতে গিয়ে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। চুঁচুড়ার ফুলপুকুরে মন্ত্রীর আবাসনে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। বিজেপির অভিযোগ ছিল বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প ছাড়াও, টোটো, অটো, প্রোমোটর, ঠিকাদারদের থেকে কাটমানি নেন মন্ত্রী। যদিও মন্ত্রী সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন।

হুগলিতে খারাপ ফল
এবারের লোকসভা ভোটে হুগলিতে ভাল ফল করতে পারেনি তৃণমূল। তিনটির মধ্যে একটি আসন, হুগলি দখল করেছে বিজেপি। আরামবাগ আসনটিতে খুব কম ব্যবধানে জয় পায় তৃণমূল। মনে করা হচ্ছে সেই কারণেই এই অপসারণ। অপর আসন শ্রীরামপুরে জয় পেয়েছে তৃণমূল।

খারাপ ফলে জেলা সভাপতি অপসারণ
লোকসভা ভোটে দলের খারাপ ফলের জেরে ইতিমধ্যেই তৃণমূলের একাধিক জেলা সভাপতিকে অপসারণ করা হয়। লোকসভা ভোট মিটতেই অপসারণ করা হয়েছিল দক্ষিণ দিনাজপুরের সভাপতি বিপ্লব মিত্রকে। বসানো হয়েছিল অর্পিতা ঘোষকে। পরে বিল্পব মিত্র বিজেপিতে যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে কোচবিহারের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে অপসারণ করা হয়। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয় বিনয়কৃষ্ণ বর্মণকে।












Click it and Unblock the Notifications