আইনি জটিলতায় নিয়োগ আটকে? ১৮ হাজার চাকরির রিপোর্ট চাইল হাইকোর্ট
শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বারবার মুখ খুলেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। যা নিয়ে চরম অস্বস্তিতে পড়তে হয় রাজ্য প্রশাসনকে। এবার শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আরও কড়া পর্যবেক্ষণ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের। বলেন, তিনি শুনেছেন রাজ্যে ১৮ হাজার শি
শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বারবার মুখ খুলেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। যা নিয়ে চরম অস্বস্তিতে পড়তে হয় রাজ্য প্রশাসনকে। এবার শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আরও কড়া পর্যবেক্ষণ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের। বলেন, তিনি শুনেছেন রাজ্যে ১৮ হাজার শিক্ষকের চাকরি তৈরি আছে। আর তা নাকি আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণেই এই চাকরিগুলো দেওয়া যাচ্ছে না। আর এরপরেই এই বিষয়ে স্কুল শিক্ষা দফতরের সচিবের কাছে রিপোর্ট তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট বিস্তারিত আকারে হলফনামা আকারে জমা দিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

আইনি জটিলতায় আটকে রয়েছে শিক্ষক নিয়োগ
বলে রাখা প্রয়োজন, রাজ্যে কয়েক হাজার শিক্ষক শূন্যপদ রয়েছে। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন অভিযোগ এবং আইনি জটিলতায় আটকে রয়েছে শিক্ষক নিয়োগ। আর এই নিয়োগের দাবিতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীরা। করছেন অনশন। এই অবস্থায় যদিও বহুবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শিক্ষক নিয়োগের জন্যে সরকার প্রস্তুত। এমনকি চাকরি তৈরি রয়ছে বলেও একাধিক সভায় দাবি করেছেন প্রশাসনিক প্রধান। এমনকি তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীরা জানিয়েছেন আইনি জটিলতার কারণে থমকে নাকি প্রক্রিয়া।

বিস্তারিত তথ্য জানানোর নির্দেশ
আর এই বিষয়ে এবার তৎপর কলকাতা হাইকোর্ট। এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানোর নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশে জানিয়ছেন, স্কুল শিক্ষা দফতরের সচিবকে জানাতে হবে যে কোথায় কত শূন্যপদ আছে। আর তা জানতে বে আগামী ২৯ শে জুলাইয়ের মধ্যেই। যেখানে প্রাইমারি, আপার প্রাইমারি, নবম - দশম, একাদশ দ্বাদশে কোথায় কত শূন্যপদ আছে তা জানানোর কথা বলা হয়েছে। এমকি মাদ্রাসাতেও কোথায় কত শূন্যপদ সে বিষয়ে জানানর কথা বলা হয়েছে। প্রয়োজনে লাইব্রেরিয়ান পদেও কি অবস্থা তা জানানোর কথা সচিবকে জানিয়ছে কলকাতা হাইকোর্ট।

এটা আমি চাইনা
এমনকি এই ১৮ হাজারের নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনও নিষেধাজ্ঞা আছে সেটাও সচিবকে বিস্তারিত আকারে জানতে বলা হয়েছে। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, যদি আদালতের কোন বাধা না থাকে তাহলে নিয়োগের জন্য কি ব্যবস্থা করা যায়, বা বাধা থাকলেও কি ব্যবস্থা করা যায় সেটা আমি দেখব। তবে বিচার ব্যবস্থাকে রাজনীতির ময়দানে টেনে নামানো হোক এটা আমি চাইনা বলে এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন বিচারপতি। যা কার্যত রাজ্য প্রশাসনের কাছে বড় সমালোচনা বলেই মনে করছেন আইনজীবীমহলের একাংশ। এমনকি নিয়োগ নিয়ে সরকার সত্যি না মিথ্যা বলছে সেই বিষয়টিও প্রমাণ হয়ে যাবে বলে মনে করছে একাংশ।












Click it and Unblock the Notifications