বিজেপিও পারল না, করে দেখাল জমিরক্ষা কমিটি! খুলে গেল মনোনয়ন পেশের নয়া পন্থা
হাইকোর্টের নয়া নির্দেশজারিতে মনোনয়নপত্র পেশের ক্ষেত্রে এক নয়া দিগন্ত খুলে গেল। আদালতের এই নির্দেশ সুদূরপ্রসারী হতে পারে।
হাইকোর্টের নজিরবিহীন নির্দেশে এবার ভাঙড়ের জমি রক্ষা কমিটিও অংশ নিচ্ছে পঞ্চায়েত নির্বাচনে। সোমবার জমিরক্ষা কমিটির তিন প্রার্থী সরাসরি নির্বাচন কমিশনে গিয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এরপরও জমি রক্ষা কমিটির ক্ষোভ, তাঁদের বাকি প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া হল না। প্রশাসন ঘটা করে বিডিও অফিসে নিয়ে গেলেও, সেখান থেকে তাঁদের মনোনয়ন না দিয়েই ফিরে আসতে হয়েছিল। তাঁরা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেছে বলে মারধর করে নথিপত্র কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ জমিরক্ষা কমিটির।

তবে জমিরক্ষা কমিটির এই অভিযোগ থাকলেও তাঁরা খুশি হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তে। হাইকোর্টের এই নির্দেশজারিতে মনোনয়নপত্র পেশের ক্ষেত্রে এক নয়া দিগন্ত খুলে গেল। আদালতের এই নির্দেশ সুদূরপ্রসারী হতে পারে। ভবিষ্যতে এই নির্দেশ বিরোধীদের হাতে অস্ত্র হতে পারে। উল্লেখ্য, শীর্ষ আদালত থেকে যখন বিজেপিকে খালি হাতে ফিরতে হল, তখন হাইকোর্টে জমিরক্ষা কমিটির এই প্রাপ্তিতে রাজ্য জোর ধাক্কা খেল।
অভিযোগ করা হয়েছিল- মনোনয়ন জমায় বাধা দেওয়া হচ্ছে জমিরক্ষা কমিটির প্রার্থীদের। এই মামলায় হাইকোর্ট নির্দেশ দেয় কোনও ইচ্ছুক প্রার্থীকেই বঞ্চিত করা যাবে না। এমনই নির্দেশ রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের। সেই নির্দেশ কার্যকর করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। যদি কোনও বাধা আসে, তা দূর করতে হবে নির্বাচন কমিশনকেই। সেইমতো জমিরক্ষা কমিটির তিন প্রার্থী সুলতান হোসেন মোল্লা, মহম্মদ আজিজুল মোল্লা ও চালেয়ারা বিবি মোল্লা মনোনয়ন পেশ করেন নির্বাচন কমিশনে গিয়ে।
হাইকোর্টের এই রায়, সারা দেশের নিরিখে একটা দৃষ্টান্ত। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, আদালতের এই নির্দেশে মনোনয়ন পেশের ভিন্ন একটা পথ খুলে যাচ্ছে। যেখানে বাধার মুখে পড়বেন প্রার্থীরা, তারা ভিন্নপথে মনোনয়ন দিয়ে পারবে। যেখানে বিজেপির মতো একটা দল আদালতের রায় বের করে আনতে ব্যর্থ হল, তখন জমিরক্ষা কমিটি নিজেদের পক্ষে রায় নিয়ে আসা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।












Click it and Unblock the Notifications