Leaps And Bounds: রহস্যের গন্ধ, সঠিক তদন্ত না করে তথ্য গোপন করছে ইডি? ভর্ৎসনা সন্দিগ্ধ বিচারপতি অমৃতা সিনহার

Leaps And Bounds: লিপস এন্ড বাউন্স সম্পত্তি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের তোপে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেক্ট। এমনকি তদন্তকারীদের যোগ্যতা নিয়েও কার্যত এদিন প্রশ্ন তুললেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। গত কয়েকদিন আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তির হিসাব সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট আদালতে জমা দেয় ইডি।

আর সেই রিপোর্ট পড়েন বিচারপতি সিনহা। আর তা পড়ে রীতিমত ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্ট। এমনকি অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সম্পত্তি নিয়ে দেওয়া খতিয়ান অসম্পূর্ণ বলেও ব্যাখ্যা। একই সঙ্গে ইডিকে একের পর এক প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন বিচারপতি সিনহা। আর সেই প্রশ্নের মুখে এদিন কার্যত কোনও তথ্যই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দিতে পারেনি। শুধু তাই নয়, তথ্য গোপন আপনারাই করছেন বলেও এদিন ইডিকে ভতসনা করেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

High court

মামলার শুনানিতে বিচারপতি জিজ্ঞেস করেন, তিনটি বিমা ছাড়া সাংসদের কিছু পাওয়া যায়নি। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট (Leaps And Bounds) কি নেই? তাও ইডির কাছে জানতে চান বিচারপতি। শুধু তাই নয়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেতন কোথায় পড়ে তাও জানতে চান। উত্তরে ইডির আইনজীবী জানান, আছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। তাহলে কেন রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়নি? চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি সিনহা।

উল্লেখ্য, সম্পত্তির বিররণ নিয়ে ক্ষুব্দ্ধ বিচারপতি সোমবার সকালেই তলব করেন দুই সংস্থার আধিকারীকদের। ফের বিকালে শুনানি হয়। ভার্চুয়ালি সেই শুনানিতে অংশ নেন সিবিআই আধিকারীক অশ্বিনী সিংভি এবং এজলাসে উপস্থিত থাকেন ইডি কর্তা নিখিলেশ কুমার মিশ্র।

বিচারপতি দুই তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত নিয়েই প্রশ্ন তুলে দেন। তিনি বলেন, ১৮ মাস কেটে গিয়েছে। এখনও তদন্তে কোনও ফল নেই। অযথা ঢিলে দিয়ে কী তারা তথ্য লোপাটে সাহায্য করতে চাইছেন।

ফের শুনানি হবে ২৯ সেপ্টেম্বর। ওই দিন সিবিআই ও ইডিকে ফের রিপোর্ট দিতে হবে। বিচারপতি এদিন প্রশ্ন করেন, দুই সংস্থা কি একাধিক তদন্তের জেরে ক্লান্ত নাকি ইচ্ছে করেই ঢিল দিচ্ছে। দুই সংস্থার সদিচ্ছা নিয়েই এবার আদালতের সন্দেহ করেছে। তিনি বলেন, সম্পত্তির রিপোর্টে বলা হয়েছে অভিষেকের মাত্র তিনটি জীবন বীমা রয়েছে। তদন্তকারীদের হাতে সম্পত্তির তালিকাই নেই বোঝা যাচ্ছে।

বিচারপতির মতে, তদন্ত থামানোর চেষ্টা হচ্ছে। দুই সংস্থা কি স্বচ্ছতা চান নাকি ধামাচাপা দিতে। অভিষেক একজন সাংসদ। তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য নেই। এমনকী ৩০ডি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের কথাই নেই এই সম্পত্তির হিসাবে বলে মন্তব্য করেন বিচারপতি।
তদন্তকারীরা জানান, আদালতের প্রশ্ন লিখে নেওযা হয়েছে। উত্তর দেওযা হবে। তদন্তকারীরা এখন নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করছেন। কিন্তু বিচারপতি বলেন, প্রথম থেকেই সব বেআইনি হয়েছে। কিন্তু সেগুলি তদন্ত করা হচ্ছে না। আড়াল করার চেষ্টা চলছে। কোম্পানির ডিরেক্টরদের সম্পত্তি, ঠিকানার কথা নেই ওই রিপোর্টে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+