ফের আইনি জটে উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ! ইন্টারভিউ চললেও শিক্ষক নিয়োগে ফের স্থগিতাদেশ
ফের আইনি জটে উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ! ইন্টারভিউ চললেও শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ফের স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের। মঙ্গলবার হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। দীর্ঘ শুনানি শেষে ডিভিশন বেঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে, ইন্ট
ফের আইনি জটে উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ! ইন্টারভিউ চললেও শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ফের স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের। মঙ্গলবার হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। দীর্ঘ শুনানি শেষে ডিভিশন বেঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে, ইন্টারভিউ চলবে।
কিন্তু এখনই কারও নিয়োগ করা যাবে না। এই নির্দেশে ফের একবার আইনি জটিলতায় প্রায় ১৪ হাজার চাকরি প্রার্থী। আইনি জটিলতা কাটিয়ে শিক্ষক নিয়োগ কি করা যাবে? ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন অনেকেই।

ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়
গত কয়েকদিন আগেই শিক্ষক নিয়োগে ছাত্রপত্র দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। এবং স্বচ্ছভাবে সবার নম্বর দিয়ে মেধা তালিকা প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ফের মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলা করা হয়। বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। মামলার শুনানিতে আজ মঙ্গলবার দুপক্ষের বক্তব্য শোনে। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত জানায়, উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া চলতে পারে। কিন্তু এখনই কাউকে নিয়োগ করা যাবে না। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ জারি থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

নির্দেশে আরও কি জানিয়েছে আদালত?
শুধু তাই নয়, আদালত নির্দেশে আরও জানিয়েছে যে, সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ মতো সমস্ত ইন্টারভিউয়ের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে আগে। এরপর একটি মেধাতালিকা তৈরি করতে হবে। কিন্তু কোনও নিয়োগপত্র এখনই দিতে পারবে না কমিশন। মামলার নির্দেশে আদালত আরও জানিয়েছে যে, ডিভিশন বেঞ্চ আরও জানিয়েছে, কমিশন একটা বিস্তারিত তালিকা তৈরি করবে। একদিকে মেঘাতালিকা তৈরি করতে হবে অন্যদিকে সমস্ত প্রার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর ও ইন্টারভিউয়ের নম্বর থাকবে। পরবর্তীতে সেই তালিকা আদালতে জমা দিতে হবে।

অনলাইনের মাধ্যমে কাউন্সেলিং
উল্লেখ্য, পুজোর আগে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে ঘোষণা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আইনি জটিলতায় বারবার আটকে যাচ্ছে নিয়োগ প্রক্রিয়া। তবে সম্প্রতি সিঙ্গল বেঞ্চ নিয়োগে ছাড়পত্র দেয়। সেই মতো সোমবার থেকে শুরু হয় কাউন্সিলিং প্রক্রিয়া। সম্পূর্ণ অনলাইনের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া চলবে বলে আগেই জানিয়ে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তবে বিস্তারিত তথ্য সবকিছু স্কুল সার্ভিস কমিশনের ওয়েবসাইটে তোলা হবে। সেখান থেকে চাকরী প্রার্থীরা সমস্ত তথ্য জেনে নিতে পারবেন বলে ঘোষনা করেন তিনি। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে অনলাইনের মাধ্যমে করা হচ্ছে নিয়োগ প্রক্রিয়া। আদালতের নির্দেশ মেনে স্বচ্ছতার সঙ্গে এই নিয়োগ করা হচ্ছে। এমনটাই জানিয়ে ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তাঁর মতে, ইন্টারভিউয়ের তালিকাতে যাদের নাম প্রকাশ হয়েছে তাঁদের সবাইকে তলব করা হচ্ছে। অলাইনের মাধ্যমেই ইন্টারভিউ দেওয়া সম্ভব। প্রয়োজনে বাড়িতে বসেও অনলাইনের মাধ্যমে ইন্টারভিউ দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ব্রাত্য বসু।












Click it and Unblock the Notifications