হনুমানজয়ন্তীতে শান্তি রাখতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট
রামনবমীর মিছিল ঘিরে উত্তাল রাজ্য। একাধিক জায়গাতে অশান্তি ঘটনার সাক্ষী বাংলার মানুষ। এই অবস্থায় বুধবার হনুমানজয়ন্তী! নতুন করে অশান্তির আশঙ্কা থাকছে। আর এই অবস্থায় আধা সামরিক বাহিনী কেন্দ্রের কাছে রাজ্যকে চাইতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট।

কেন্দ্রকে সবরকম ভাবে সাহায্য করতে হবে
আজ থেকে এরিয়া ডোমিনেশনের কাজ শুরু করার কথাও বলা হয়েছে। এমনকি এই বিষয়ে কেন্দ্রকে সবরকম ভাবে সাহায্য করতে হবে বলেও জানিয়ে দিল আদালত। শুধু তাই নয়, হনুমানজয়ন্তী নিয়ে কোন রাজনৈতিক নেতা কোথাও কোন বক্তব্য পেশ করতে পারবে না বলেও জানিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। রাম নবমীর মিছিলে অশান্তি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

জরুরি তথ্য
তাঁরই একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই এহেন নির্দেশ সর্বোচ্চ আদালত। অন্যদিকে এদিন মামলার শুনানিতে রাজ্যের তরফে একাধিক প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে আদালত আরও কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছে। বলা হয়েছে যে কোনও মিছিল কিংবা শোভাযাত্রা যদি প্রশাসনের কোন শর্ত উলঙ্ঘন করে তাহলে তার দায় সেই প্রতিষ্ঠান এবং তার আধিকারিকদের ওপর বর্তাবে। কতজন শোভাযাত্রায় থাকবেন তা আগে থেকে পুলিশকে জানাতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। শোভাযাত্রা শুরু এবং শেষ নির্দিষ্ট সময়ে করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে।

মিছিল নিয়ে ২০০০ আবেদন জমা পড়েছে
তবে এখনও পর্যন্ত মিছিল নিয়ে ২০০০ আবেদন জমা পড়েছে বলে রাজ্যের তরফে আদালতকে জানানো হয়তেছে। তবে ওশান্তি এড়াতে পুরো রুটে ব্যারিকেড করা এই মুহূর্তে করা সম্ভব নয় বলে দাবি রাজ্যের। তবে স্পর্শকাতর এলাকায় ব্যারিকেড করা হবে বলে জানানো হয়েছে। শুধু তাই নয়, স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে সিসিটিভি ক্যামেরাও বসানো হবে।

রাজ্য পুলিশ একহাতে এই সমস্যার সমাধান করতে পারবে না
তবে এদিন রাজ্যের তরফে শুনানি অংশ নেওয়া আইনজীবী জানান, রাম নবমী এবং হনুমানজয়ন্তী রাজ্যে পালিত হওয়া সাধারণ উৎসবের মধ্যে পরে না। শেষ ৫ বছর ধরে এটা শুরু হয়েছে। দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, যে ধরনের সমস্যার কথা বলা হচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে যে রাজ্য পুলিশ একহাতে এই সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। এক্ষেত্রে পাশের রাজ্য থেকে আধা - সামরিক বাহিনীর সাহায্য নেওয়া যেতে পারে বলে পর্যবেক্ষণ আদাললতের।

বাহিনী চেয়ে চিঠি দিচ্ছে রাজ্য
এই নির্দেশ কার্যত নজিরবিহীন বলছেন আইনজীবী মহল। এই নির্দেশ সামনে আসার পরেই কোথায় কোথায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নামানো হবে সেই সংক্রান্মত একটি তালিকা তৈরি করা হবে। আর সেই তালিকা কেন্দ্রকে পাঠানো হবে বলেই জানা যাচ্ছে। সম্ভবত হলে বিকেলের পর থেকেই বাহিনীকে রুট মার্চে নামানো হবে বলে জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications