জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজের সাসপেন্ড পড়ুয়াদের ক্লাসের অনুমতি দিল হাইকোর্ট
আরও একটি বড় রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সাসপেন্ড হওয়া পড়ুয়ারা ক্লাস করতে পারবে। এই মর্মে নির্দেশ দিল রাজ্যের সর্বোচ্চ আদালত। তবে এক্ষেত্রে একাধিক শর্তও দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট৷ জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজের ৪০ জন পড়ুয়াকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।
আরজি কর কাণ্ডে নারকীয় ঘটনা ঘটে। রাজ্যের সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালগুলিতে একাধিক অভিযোগ উঠে আসে। থ্রেট কালচারের অভিযোগও সামনে আসতে থাকে। রাজ্যের একাধিক কলেজের একাধিক পড়ুয়ার বিরুদ্ধে থ্রেট কালচারের অভিযোগ উঠে আসে।

জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজের বেশ কিছু পড়ুয়াদের বিরুদ্ধেও বেশ কিছু অভিযোগ ছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ৪০ জন ছাত্রকে সাসপেন্ড করা হয়। তাদের ক্লাস করতে দেওয়া হবে না। পরীক্ষায় বসতে দেওয়া যাবে না। এই কথা জানা যায়। জওহরলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজের ভিতর তাদের ঢোকার অনুমতিও দেওয়া হয়নি।
মোট ৪১ জন পড়ুয়াকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। ছয় মাসের জন্য তাদের সাসপেন্ড করা হয়। তারা ক্লাস করতে পারবে না। স্টাইপেন বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। তাদের সাসপেনশন তুলে নিতে মামলা করা হয়। সেই মামলার শুনানিতেই এই বড় নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
পড়ুয়াদের সাসপেন্ড করার আগে কি তদন্ত করেছিলেন? কলেজ কাউন্সিলকে প্রশ্ন আদালতের। ইউজিসি রেগুলেশন ২০০৯ সালের আইনের সূত্রে সব পক্ষকে শুনানির সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এদিন শর্তসাপেক্ষে পড়ুয়াদের ক্লাস করার অনুমতি দেওয়া হল। সাসপেন্ড হওয়া ২০ জন ছাত্রকে কলেজে প্রবেশের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ক্লাসে ঢোকার অনুমতি দিল কলেজ। একাডেমিক কার্যকলাপে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও বাধা থাকবে না। হাউজ স্টাফ হিসেবে ডিউটিও করতে পারবে তারা। তবে তাদের হস্টেলে থাকার অনুমতি নেই।












Click it and Unblock the Notifications