মমতা পাশে পেলেন আরও এক দলকে, একুশের ভোটযুদ্ধের আগে বাড়ছে তৃণমূলের সমর্থন
মমতা পাশে পেলেন আরও এক দলকে, একুশের ভোটযুদ্ধের আগে বাড়ছে তৃণমূলের সমর্থন
বাংলার নির্বাচন ঘোষণার আগে বিজেপি বিরোধী জোটের হেমন্ত সোরেন বাংলায় প্রার্থী দিতে মনস্থ করছিলেন। এরপর জেএমএমের কার্যকারী সভাপতি হেমন্ত সোরেনকে চিঠি লিখে সমর্থন প্রার্থনা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইমতো প্রার্থী না দিয়ে মিত্র শক্তি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।

কংগ্রেসকে সমর্থন না করে তৃণমূলকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত
হেমন্ত সোরেন সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রুখে দেওয়ার স্বার্থে মমতার পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নিলেন। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, হেমন্ত সোরেনের জেএমএম ঝাড়খণ্ডে সরকার চালাচ্ছে কংগ্রেসের সমর্থনে। এ রাজ্যে তাঁরা কংগ্রেসকে সমর্থন না করে তৃণমূলকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একইভাবে বিহারের প্রধান বিরোধী দল আরজেডিও মমতাকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বাংলায় আদিবাসীদের অধিকার নিয়ে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও
হেমন্ত সোরেন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলায় অন্তত ৪০ আসনে প্রার্থী দেবে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা বা জেএমএম। তিনি নিজের দল্র সমর্থনে জনসভাও করে গিয়েছিলেন। মমতাকে তোপও দাগেন তিনি। বলেছিলেন বাংলায় আদিবাসীদের অধিকার নিয়ে তিনি লড়বেন। আদিবাসীদের জন্য নতুন আইন তৈরি হচ্ছে। বাংলায় বারবার এসে আমি আদিবাসীদের পাশে দাঁড়াব।

কই, আমি তো ঝাড়খণ্ডের বাঙালি ভোট চাইতে যাই না
মমতাও পাল্টা দিয়েছিলেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীকে। তিনি হেমন্ত সোরেনের উদ্দেশ্য বলেন, আগে নিজের রাজ্য সামলান। তারপর বাংলার দিকে তাকাবেন। কই, আমি তো ঝাড়খণ্ডের বাঙালি ভোট চাইতে যাই না। মমতা প্রকাশ্য ক্ষোভ প্রকাশের পর নড়চড়ে বসেন জেএমএম সুপ্রিমো শিব সোরেন। তিনিই পরামর্শ দেন হেমন্তকে।

দিদি বাংলায় সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে লড়ছেন, তাই
এরপরই বাংলার ভোটযুদ্ধে না নেমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নেন হেমন্ত সোরেন। তিনি ঘোষণা করেন, মমতা দিদি আমাদের ফোন করেছিলেন। চিঠি লিখে সমর্থন প্রার্থনা করেছিলেন। তারপর আমরা দলগতভাবে আলোচনার পর আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের দল বাংলায় কোনও প্রার্থী দেবে না। দিদি বাংলায় সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে লড়ছেন। সেই লড়াইয়ে আমরা দিদির পাশে থাকব।












Click it and Unblock the Notifications