লাগামছাড়া খরচে লাগাম টানতে উদ্যোগ নবান্নের! সাত বেসরকারি হাসপাতালকে জরিমানা স্বাস্থ্য কমিশনের
বেসরকারি হাসপাতালগুলির লাগামছাড়া খরচে অতিষ্ট সাধারণ মানুষ। সেদিকে তাকিয়ে এবার কড়া রাজ্য প্রশাসন। খরচে লাগাম ধরার চেষ্টা প্রশাসনের। বাড়তি বিল নিয়ে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে স্বাস্থ্য কমিশনে। আর তা পড়তেই নড়েচড়ে বসে কমিশন।
বেসরকারি হাসপাতালগুলির লাগামছাড়া খরচে অতিষ্ট সাধারণ মানুষ। সেদিকে তাকিয়ে এবার কড়া রাজ্য প্রশাসন। খরচে লাগাম ধরার চেষ্টা প্রশাসনের। বাড়তি বিল নিয়ে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে স্বাস্থ্য কমিশনে। আর তা পড়তেই নড়েচড়ে বসে কমিশন।

আর সেখানেই কার্যত বাড়তি খরচে লাগাম পড়ানোর চেষ্টা করলেন সরকারি আধিকারিকরা। শহর এবং শহরতলির মোট ৭টি বেসরকারি হাসপাতালে মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হয়েছে স্বাস্থ্য কমিশনের তরফে।
প্রশাসনের আশা, এতে কিছুটা হলেও রোগীদের ক্ষেত্রে বিল নেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক হবে বেসরকারি হাসপাতালগুলি।
জানা যায় করোনার সময় থেকেই চিকিৎসার খরচ বেঁধে দেয় সরকার। এক্স রে সহ একাধিক ক্ষেত্রে কত টানা নেওয়া হবে তা বেঁধে দেওয়া হয়। কিন্তু এরপরেও দেখা যায় একাধিক হাসপাতাল নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রমরমিয়ে ব্যবসা করছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলির বিরুদ্ধে এমন একাধিক ভুরি ভুরি অভিযোগ আসতে থাকে।
আর এরপরেই নড়েচড়ে বসে স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে হানা দেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। বাড়তি বিলের ক্ষেত্রে কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। ফলে অনেক ক্ষেত্রে রোগী ভর্তি পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়নি। কিন্তু এরপরেও দেখা যায় অবস্থান বদল হয়নি। বাড়তি বিল নেওয়ার সংস্কৃতি চলেই যাচ্ছে।
আর সেখানে দাঁড়িয়ে আরও কড়া ব্যবস্থা স্বাস্থ্য কমিশনের। ৭ বেসরকারি হাসপাতাল-নার্সিংহোমকে জরিমানা করল স্বাস্থ্য কমিশন। এই তালিকাতে শহর এবং শহরতলির একাধিক নার্সিংহোম রয়েছে। জানা গিয়েছে, যেমন সেই তালিকাতে রয়েছে যাদবপুরের কেপিসি, টালিগঞ্জের আরোগ্য নার্সিংহোম।
তেমনই রয়েছে সল্টলেকের ডামা হাসপাতাল, সেবা হাসপাতাল। ভবানীপুরের মাইক্রোল্যাব, উত্তরপাড়ার উইকেয়ার নার্সিংহোমকেও মোটা অঙ্কের জরিমানা করা হয়েছে। জানা যায়, প্রত্যেকটি হাসপাতালের ক্ষেত্রেই কার্যত অভিযোগ এক। অনেক টাকা বিল নেওয়া হয়েছে।
শুধু তাই নয়, অনেক ক্ষেত্রে কোভিড রোগীদের ক্ষেত্রে ওষুধ সহ অন্যান্য সামগ্রীতেও মোটা অঙ্কের বিল দেখানো হয়েছে। আর সেই সমস্ত ভিজগ সামনে আশাড় পরেই পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়। আর তা দেখার পরেই এহেন সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্য দফতরের। আগামীদিনে এহেন অভিযান আরও চলবে আশ্বাস স্বাস্থ্য আধিকারিকদের।
উল্লেখ্য, রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দিকে বিশেষ নজর দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারি তো বটেই বেসরকারি হাসপাতালগুলির দিকেও বিশেষ নজর তাঁর। একদিকে পরিকাঠামো তৈরি করা অন্যদিকে স্বাস্থ্য পরিষেবার মাণ তৈরি করা। আর এই মর্মেই গত কয়েকদিন আগে একটি বৈঠকও করেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।
রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম, এসএসকেএমের অধিকর্তা এবং সিনিয়র চিকিৎসকেরাও ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। তাঁদের সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়ে দীর্ঘ ক্ষণ আলোচনাও করেন মমতা।












Click it and Unblock the Notifications