কালীপুজোয় দিদির বাড়ি থেকে ফিরে এসেছিলেন! কেন যাননি ভাইফোঁটায়, জানালেন শোভন
এক সময় দিদির কাছে কাননের স্থান ছিল সবার আগে। কিন্তু আস্তে আস্তে দূরত্ব বেড়েছে। বাড়ির কালী পুজোর যেমন রত্না চট্টোপাধ্যায়ের গুরুত্ব বেড়ে, অন্যদিকেভাইফোঁটার আমন্ত্রণও আসেনি।
এক সময় দিদির কাছে কাননের স্থান ছিল সবার আগে। কিন্তু আস্তে আস্তে দূরত্ব বেড়েছে। বাড়ির কালী পুজোর যেমন রত্না চট্টোপাধ্যায়ের গুরুত্ব বেড়ে, অন্যদিকে ভাইফোঁটার আমন্ত্রণও আসেনি। ফলে ফাটল আরও চওড়া হয়েছে। আর গতবছরের ২২ নভেম্বরের পর থেকে কথাও হয়নি আর।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কালীপুজোয় অবারিত দ্বার সকলের। প্রশাসনিক কর্তা থেকে দলের নেতামন্ত্রী সবার উপস্থিতিই চোখে পড়ার মতো। একবার তো কলকাতার তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রঞ্জিত পচনন্দাকে জুতো খুলে করজোড়ে দেখা গিয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে।
বাড়ির সদস্যদের পাশাপাশি শোভন চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমদের দেখা যেত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির পুজোয়। কোনও কোনও সময় থাকতেন মন্ত্রী কিংবা দলের নেতাদের পরিবারের সদস্যরাও। কিন্তু স্ত্রীর সঙ্গে দূরত্ব বেড়ে যাওয়ায় শোভন চট্টোপাধ্যায়ওো মুশকিলে পড়ে যান। তিনি জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শে তিনি বাড়ি ছেড়ে গোলপার্কের ফ্ল্যাটে গিয়ে থাকতে শুরু করেন। অন্য দিকে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের মামলাও শুরু হয়ে গিয়েছে আদালতে। সেই পরিস্থিতিতে শোভন চট্টোপাধ্যায়
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে দেখেন রত্না চট্টোপাধ্যায়কে সামনে রেখেই পুজোর প্রস্তুতি চলছে। সেই পরিস্থিতিতে সেখানে আর না অপেক্ষা করে বাড়িতে ফিরে আসেন বলে জানিয়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়।
আর ভাইফোঁটায় না যাওয়া প্রসঙ্গে শোভন চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি আমন্ত্রণ পাননি। শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, ভাই হিসেবে দরকার নেই বলেই হয়ত সেই আমন্ত্রণ আর তাঁর কাছে আসেনি।












Click it and Unblock the Notifications