শুধু আরাবুল কেন, শান্তি বজায় রাখতে দল থেকে নিজেও সরে যেতে রাজি শোভন!
শুধু আরাবুল কেন, তাঁকেও যদি দল থেকে সরে যেতে হয়, সরে যাবেন। এলাকায় শান্তি স্থাপনে তিনি ষড়যন্ত্রকারীদের উচ্ছেদ ঘটাবেনই ভাঙড় থেকে।
কলকাতা, ২ ফেব্রুয়ারি : শান্তি ফেরাতে নিজেকে বাজি রাখতেও আপত্তি নেই কলকাতার মেয়র তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতি শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। ভাঙড়ে দলীয় সভায় উপস্থিত হয়ে তিনি বার্তা দিলেন, এলাকায় শান্তি ফেরানোই তাঁর বা তাঁর দলের একমাত্রা লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে শুধু আরাবুল কেন, তাঁকেও যদি দল থেকে সরে যেতে হয়, সরে যাবেন। এলাকায় শান্তি স্থাপনে তিনি ষড়যন্ত্রকারীদের উচ্ছেদ ঘটাবেনই ভাঙড় থেকে।[ভাঙড়ের আন্দোলনকে দিল্লি পৌঁছে দিতে চান অধীর, মিছিলকে সমর্থন কংগ্রেসের]
বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে যান জেলা সভাপতি শোভন চট্টোপাধ্যায়। তিনি এলাকার দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল এলাকায় শান্তি স্থাপন। কিন্তু শান্তি বৈঠক অশান্ত হয়ে উঠে দল থেকে আরাবুল ইসলাম ও রেজ্জাক মোললাদের সরানোর দাবিতে। ভাঙড়ের তৃণমূল কর্মীদের দাবি, ভাঙড় উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পিছনে মূল ষড়যন্ত্রী আরাবুল ইসলাম। তিনিই এলাকায় বিষ ছড়াচ্ছেন।[ভাঙড় : আরও দুই নকশাল নেতা গ্রেফতার, নতুন করে অশান্তি শুরু এলাকায়]

এমনকী ভাঙড়ের বিধায়ক তথা মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লার ভূমিকাও ভালো ঠেকেনি সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের কাছে। তৃণমূল জেলা সভাপতির কাছে তাঁরা ষড়যন্ত্রীদের অপসারণের দাবিতে সরব হন। মেয়র তথা দলের জেলা সভাপতি তা মেনেও নেন। তিনি বলেন, যাঁরা ভাঙড়কে উত্তপ্ত করছে, তাঁদের অবিলম্বে দল থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে।[কে চালাল গুলি? উর্দিই বা কার? ভাঙড়বাসীর ধন্দ কাটছে, শুরু রাজনৈতিক তরজা]
শোভনবাবু কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আরাবুল ইসলাম, রেজ্জাক মোল্লা কিংবা শোভন চট্টোপাধ্যায়- এঁরা আজ আছে কাল নেই। কিন্তু দল রয়েই যাবে। তাই ব্যক্তি বড় নয়, দল বড়, প্রতিষ্ঠান বড়। সেই প্রতিষ্টানকে সম্মান করতে হবে। তাই এলাকায় শান্তি স্থাপনে শুধু আরাবুল কেন, যদি আমাকেও সরে যেতে হয়, তাতে কোনও আপত্তি নেই।[কেন ভাঙড়ে যাচ্ছেন না মুখ্যমন্ত্রী?]
শোভনবাবু বলেন, এলাকায় মানুষকে ভুল বোঝানো হয়েছিল। এখনও সেই ভুল বোঝানো চলছে। দয়া করে গ্রামবাসীকে ভুল বুঝতে দেবেন না। আমাদের সরকার জোর করে কারও জি কেড়ে নেবে না। মানুষ যদি চান, তবেই প্রকল্প হবে। তা না হলে প্রকল্প হবে না। মানুষ আপত্তি করেছিলেন, তাই সঙ্গে সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ভাঙড় থেকে পাওয়ার গ্রিড প্রকল্প বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। স্থানীয় মানুষ যদি অনুমতি দেন, তবেই প্রকল্প হবে।












Click it and Unblock the Notifications