দিলীপের সামনেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বিজেপির, জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে বিশৃঙ্খলা
বিজেপি রাজ্য সভাপতির সামনেই দ্বন্দ্বে জড়ালেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখালেন একপক্ষ।
বিজেপি রাজ্য সভাপতির সামনেই দ্বন্দ্বে জড়ালেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখালেন একপক্ষ। বিজেপি জেলা সভাপতি প্রদীপ দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি পঞ্চায়েত ভোটের সময় দলীয় তহবিলের টাকা নয়ছয় করেছেন। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির তৈরি হল সভাস্থলে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রবল আকার নিল পূর্ব মেদিনীপুর বিজেপিতে।

পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের নিমতৌড়িতে দলের সাংগঠনিক সভা ছিল মঙ্গলবার। সেই সভায় মূল বক্তা ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর সামনেই বিজেপির কিছু নেতাকর্মী প্রতিবাদ জানান জেলা সভাপতির দুর্নীতি নিয়ে। সভাপতির অপসারণ দাবিও করা হয়। অস্বস্তি কাটাতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ তাঁদের কলকাতা অফিসে আসতে বলেন দুর্নীতির প্রমাণ নিয়ে।
এদিন বিক্ষুব্ধদের সভাস্থলে প্রবেশেও বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বিক্ষুব্ধ নেতা-নেত্রীরা ঢুকতে গেলে হুলুস্থূল পড়ে যায় সভাস্থলের বাইরে। বিজেপির জেলা সভাপতি প্রদীপ দাস বলেন, এসব তৃণমূলের কারসাজি। তৃণমূলই ঘোট পাকিয়ে এসব করাচ্ছে। তিনি প্রত্যক্ষ হুঁশিয়ারি দেন, এভাবে বিজেপিকে আটকানো যাবে না। তৃণমূলের এক মন্ত্রীই এসব করাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন বিজেপির জেলা সভাপতি প্রদীপ দাস।
বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূল নানা ফন্দিফিকির করছে বিজেপিকে ভাঙানোর জন্য। কিন্তু বিজেপি আলাদা জিনিস। এত সহজ নয় বিজেপিকে ভাঙানো। তৃণমূল নাটক করে বলছে ২১ জুলাই এত লোক বিজেপি থেকে যোগ দিল। তারপর ২৮ জুলাই মেদিনীপুরে বলল বিজেপির নেতারা যোগ দিয়েছে। কিন্তু একজন জেলা সদস্যকেও ওরা দেখাতে পারেনি তৃণমূলের মঞ্চে।
তিনি বলেন, সিপিএম, কংগ্রেস বিধায়কদের কেনা যায়। কিন্তু বিজেপির কাউকে কেনা যায় না। তৃণমূলের নেতারা বাড় বিজেপি নেতাদের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন, কিন্তু জুতো আর ধাক্কা খেয়ে ফিরে আসছেন। এক হাতে গাঁজা ও অন্য হাতে টাকার বান্ডিল নিয়ে গিয়েও বিজেপি ভাঙতে পারছে না তৃণমূল। শুধু কিছু উড়ো খই আছে, এদিক-ওদিক ঘুরে বেড়ায়, তারাই যাচ্ছে বিজেপি ছেড়ে।












Click it and Unblock the Notifications