ঠিক যেন সিনেমা! সম্বন্ধ পাকা করতে গিয়ে বুদ্ধির ‘ফাঁদে’ বন্দি পাত্র, স্থান হল শ্রীঘরে
ঠিক যেন সিনেমা। সিনেমায় ঠগিনীর কাহিনি শুনেছেন বা দেখেছেনও অনেকে। আর এক্ষেত্রে ঠগের পাল্লায় পড়তে চলেছিলেন পাত্রী। শেষমেষ পাত্রীর দাদার উপস্থিত বুদ্ধির জেরে ধরা পড়ে গেল ঠগ পাত্র।
ঠিক যেন সিনেমা। সিনেমায় ঠগিনীর কাহিনি শুনেছেন বা দেখেছেনও অনেকে। আর এক্ষেত্রে ঠগের পাল্লায় পড়তে চলেছিলেন পাত্রী। শেষমেষ পাত্রীর দাদার উপস্থিত বুদ্ধির জেরে ধরা পড়ে গেল ঠগ পাত্র। সম্বন্ধ পাকা করতে এসে পাত্রের স্থান হল শ্রীঘরে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা জলপাইগুড়ির চরকডাঙিতে। পুলিশ ঠগ পাত্রকে চিরঞ্জিৎ রায়কে গ্রেফতার করেছে।

নিজেকে কেন্দ্রীয় পূর্ত দফতরের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার পরিচয় দিয়ে জলপাইগুড়িতে পাত্রী দেখতে গিয়েছিল সল্টলেকের ওই যুবক। সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেখে প্রথমে পাত্রীর বাড়িতে ফোন করেছিল সে। তারপর শুক্রবার রাতের ট্রেন ধরে শনিবার পাত্রীর বাড়িতে হাজির প্রতারক পাত্র।
পেশায় সেল ট্যাক্সের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পাত্রীর দাদা ধ্রুবরঞ্জন সরকার বোনের বিয়ের জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন। আবার পাত্রকে আনতে তিনিই গিয়েছিলেন স্টেশনে। স্টেশন থেকে আসার সময়ই নানা কথা হতে থাকে। তখন থেকেই সন্দেহ দানা বেঁধেছিল পাত্রীর দাদার মনে। পাত্রের কথায় ধরা পড়ছিল নানা অসঙ্গতি।
চিরঞ্জিত জানায়, ট্রেন তার সর্বস্ব খোয়া গিয়েছে। তাই বাড়ি ফেরার জন্য তার কিছু টাকার প্রয়োজন। ধ্রুবরঞ্জনবাবুর কাছে টাকা ধার চেয়ে বসে চিরঞ্জিৎ। এরপরই উপস্থিত বুদ্ধি প্রয়োগ করেন ধ্রুবরঞ্জনবাবু। তিনি চিরঞ্জিত বাইকে চাপিয়ে এক বন্ধুর বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। জানান, বন্ধুর কাছ থেকে টাকা নিয়ে দেবেন।
এই একটি চালেই বিপদ বুঝে যান পাত্র। গল্পের ছলেই বলেন, তাঁর বন্ধু একজন পুলিশ। আর তা শোনামাত্রই বাইক থেকে লাফিয়ে পড়ার জোগাড় পাত্রের। পাত্রীর দাদা বাইক থামতেই ছুটে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে চিরঞ্জিৎ। তখনই পাত্রকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন পাত্রীর দাদা। পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাকে। প্রকাশ হয়ে যায় পাত্রের কীর্তি। পুলিশের কাছে প্রতারক পাত্র স্বীকার করে তার অপরাধের কথা।












Click it and Unblock the Notifications