তীব্র তাপপ্রবাহে তৃষ্ণা নিবারণের একমাত্র ভরসা ডাবের জল! জানেন বাজারে কত দাম এই পানীয়ের?
তীব্র গরমে নাজেহাল দশা রাজ্যবাসীর। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় তাপমাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই অবস্থায় বাঁকুড়া, পুরুলিয়ায় জলসঙ্কট দেখা দিয়েছে। গরমে গলা ভেজাতে পড়ুয়াদের জন্য সরকারি স্কুলে চালু হয়েছে 'ওয়াটার বেল'। এই মুহূর্তে দাবদাহে পুড়ছে দক্ষিণবঙ্গ। তই কেউ কেউ আবার মরভূমির সঙ্গে তুলনা করছেন পশ্চিমবঙ্গকে।
একদিকে ভোটের উত্তাপ আর অন্যদিকে, ক্রমশ চড়ছে তাপমাত্রার পারদ। ফলে প্রচন্ড গরমে এখন ডাবেই ভরসা রাখছেন আমজনতা। বাড়ছে ডাবের চাহিদা। গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য সাধারণ মানুষজন ডাবের আশ্রয় নিচ্ছেন। যে সমস্ত প্রার্থীরা লোকসভা নির্বাচনে প্রচারকার্য চালাচ্ছেন তাঁরাও তেষ্টা মেটাতে ডাবকেই বেছে নিচ্ছেন। শুধু তাই নয়, নির্বাচনী প্রচারে যে সমস্ত নেতার কর্মীরা অংশ নিচ্ছেন, তাঁরাও প্রচারের ফাঁকে ডাবের জলে চুমুক দিয়ে তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন। ফলে বাড়ছে ডাবের চাহিদা। আর ডাবের এই অস্বাভাবিক চাহিদা বৃদ্ধির জন্য তার দামও বেড়েছে অনেকটাই।

বাজারে এক একটি ডাব বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে। একটু ছোট সাইজের ডাবের দাম গড়ে পড়ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। তবুও এই তীব্র গরমে এই দামী ডাবের উপরই ভরসা রাখতে হচ্ছে স্থানীয় তৃণমূল নেতা থেকে শুরু করে আমজনতা সকলকেই। তবে ডাবের এত দাম বেড়েছে যে সকলের কেনার মতো সামর্থ থাকছে না। তাই ডাব চোখে দেখেই তৃষ্ণা মেটাতে হচ্ছে মধ্যবিত্তদের।
স্থানীয় ডাব ব্যবসায়ীরা ডাবের প্রচন্ড চাহিদা বৃদ্ধি এর দাম বাড়ার অন্যতম কারণ বলে স্বীকার করে নিয়েছেন। আবার রাজনৈতিক নেতাদের দাবি, ফলন কম হওয়ার কারণেই বাড়ছে ডাবের দাম। প্রচণ্ড গরমে হাঁসফাঁস করছেন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী থেকে আমজনতা সকলেই।
প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারের ফাঁকে গলা ভেজাচ্ছেন ডাবের জলে। কিন্তু গ্রীষ্মকালে স্বস্তি কবে মিলবে? সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানাতে পারেনি আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। তবে রবিবার পর্যন্ত যে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনাই নেই এবং তাপমাত্রা আরও বাড়ার সম্ভাবনা যে রয়েছে সে বিষয়ে আগেই বার্তা দিয়েছে হাওয়া অফিস। তাই এখন এভাবেই ডাবের জলে তৃষ্ণা মিটিয়ে নির্বাচনী প্রচার সারতে হবে প্রার্থীদের।












Click it and Unblock the Notifications