নিশীথের নাগরিকত্ব বিতর্কে চক্রান্তের অভিযোগ , কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পাশে পেলেন গ্রেটার কোচবিহারের সুপ্রিমোকে
নাগরিকত্ব বিতর্ক নিয়ে যখন তৃণমূলের অভিযোগের পাশে দাঁড়িয়েছে কংগ্রেস, সেই সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (nishith pramanik) পাশে পেলেন গ্রেটার কোচবিহারের (greater coochbihar) সুপ্রিমো অনন্ত রায় মহারাজকে (Anant
নাগরিকত্ব বিতর্ক নিয়ে যখন তৃণমূলের অভিযোগের পাশে দাঁড়িয়েছে কংগ্রেস, সেই সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (nishith pramanik) পাশে পেলেন গ্রেটার কোচবিহারের (greater coochbihar) সুপ্রিমো অনন্ত রায় মহারাজকে (Ananta Roy Maharaj )। দিন কয়েক আগে তৃণমূল বিধায়ক জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া অনন্ত রায় মহারাজের সঙ্গে দেখা করার পর থেকেই রাজনৈতিক জল্পনার শুরু হয়েছিল।

দিনহাটায় জন্ম নিশীথের
গ্রেটার কোচবিহারের সুপ্রিমো সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিশীথ প্রামাণিকের জন্ম দিনহাটার ভেটাগুড়িতে। প্রসঙ্গত দিনহাটাতেই বাড়ি অনন্ত রায় মহারাজের। তিনি আরও দাবি করেছেন, নিশীথ প্রামাণিকের বাবা-মাকে তিনি চেনেন। প্রসঙ্গত তৃণমূলের তরফ থেকে নিশীথ প্রামাণিকের জন্ম বাংলাদেশে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। এই বিতর্কতে তৃণমূল পাশে পেয়েছে কংগ্রেসকে।

চক্রান্তের অভিযোগ
জন্মস্থান বিতর্কে নিশীথ প্রামাণিককে সমর্থন করতে গিয়ে অনন্ত মহারাজ দাহি করেছেন, রাজবংশী সম্প্রদায়ের এক যুবক দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে। যাঁরা নিশীথ প্রামাণিকের জন্মস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁরা চক্রান্ত করছএন বলে অভিযোগ করেছেন অনন্ত রায় মহারাজ।

অনন্ত রায় মহারাজের সঙ্গে দেখা করেছিলেন অমিত শাহ
গতসপ্তাহের সিতাইয়ের তৃণমূল বিধায়ক জগদীশ বর্মা বসুনিকা দেখা করেছিলেন অনন্ত রায় মহারাজের সঙ্গে। তারপর থেকে অবশ্য রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ছাড়ায়। যদিও বলে রাখা ভাল বিধানসভা নির্বাচনের আগে অসমের চিরাং-এ গিয়ে অনন্ত রায় মনারাজের সঙ্গে দেখা করেছিলেন অমিত শাহ। ভোটের প্রচারে তাঁকে বিজেপির মঞ্চেও দেখা গিয়েছিল। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলেন, এর ফল পেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু তৃণমূল বিধায়ক তাঁর সঙ্গে দেখা করার পর প্রশ্ন ওঠে তাহলে কি আবার অন্য সমীকরণ? যদিও নাগরিকত্ব ইস্যুতে অনন্ত রায় মহারাজ নিশীথ প্রামাণিকের পাশেই দাঁড়ালেন।

নিশীথ প্রামাণিকের রাজনৈতিক পরিচিতি
স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নিশীথ প্রামাণিক দিনহাটার স্কুলে পড়েছেন। সেখানকার এক স্কুলে শিক্ষকতাও করতেন তিনি। ২০১৩ সালে তিনি তৃণমূল যুবায় যোগ দেন। ওই বছরেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভেটাগুড়ি এক বালাডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান হয়েছিলেন তিনি। পরে ২০১৮ সালে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেন, তাঁর অনুগামীরা এলাকায় তৃণমূল যুব নাম দিয়ে দিনহাটার বেশ কিছু পঞ্চায়েতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং জয়ী হন। ২০১৮-র ডিসেম্বরে দল থেকে বহিষ্কারের পরে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন এবং ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহার আসনে জয়ী হন। আর এবারের বিধানসভা নির্বাচনে দিনহাটা আসনে তিনি উদয়ন গুহকে হারান। যদিও সাংসদ পদ রহাখতে তিনি দিনহাটা আসনে ইস্তফাও দেন।












Click it and Unblock the Notifications