আনন্দে মেঝেতে শুয়ে পড়েছিল গ্রন্থন, কলা বিভাগেও প্রথম হাওয়া যায়, বিশ্বাস ফিরল আবার
স্বপ্নেও ভাবেনি গ্রন্থন। উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর তাই সব ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলেন। কী যে আনন্দ হয়েছিল তার, ব্যাখ্যা করতে পারছে না সে।
স্বপ্নেও ভাবেনি গ্রন্থন। উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর তাই সব ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলেন। কী যে আনন্দ হয়েছিল তার, ব্যাখ্যা করতে পারছে না সে। উচ্চমাধ্যমিকের প্রথম হয়ে জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের গ্রন্থন সেনগুপ্ত জানিয়েছে, ভালো ফল হবে আশা করেছিলাম। কিন্তু এত ভালো হবে ভাবিনি। যখন শুনেছি ফার্স্ট হয়েছি, আনন্দে মেঝেতে শুয়ে পড়েছিলাম।

গ্রন্থন শুঝু ফার্স্ট হয়নি, কলা বিভাগ থেকে ফার্স্ট হয়েছে। দেখিয়ে দিয়েছে, কলা বিভাগ থেকেএও ফার্স্ট হওয়া যায়। পাঁচ বছর পর ফের একবার এমন কীর্তি গড়ল উচ্চমাধ্যমিকের কলা বিভাগের কোনও ছাত্র। আর তাই নিজেকে একটু সামলে নিয়ে গ্রন্থনের প্রতিক্রিয়া, আর্টস নিয়েও যে প্রথম হওয়া যায়, এই ফল অনেক ছাত্রছাত্রীকে সেই বিশ্বাস ফিরিয়ে দেবে। আমাদের সিলেবাসই সেই সুযোগ করে দিয়েছে।
ফল প্রকাশের পর গ্রন্থন জানাল, ইতিহাস নিয়ে পড়তে চাই, হতে চাই প্রফেসর। সেই কারণেই কলা বিভাগে ভর্তি হয়েছিলাম। আজ আমার সেই সিদ্ধান্ত সার্থক হয়েছে। গ্রন্থন প্রথম হয়েছে, মেধা তালিকায় স্থান পেতে গেলে, বা ভালো কিছু করতে গেলে যে সারাক্ষণ পড়াশোনায় ডুবে থাকতে হবে, সাই ধারণাও ভ্রান্ত বলে প্রমাণ করে দিয়েছে গ্রন্থন।
গ্রন্থন নাটক করতে ভালোবাসে, ভালোবাসে গান করতে। পরীক্ষার জন্য শুধু কিছুদিন এসব থেকে দূরে ছিল সে, পরীক্ষা মিটতেই আবার সে ডুব দিয়েছে গান-নাটকের নেশায়। এক বছর এসব থেকে দূরে ছিলাম। ফেল নাটক করব। গান করব। পড়াশোনার পাশাপাশি গান ও নাটক যে আমার প্রাণ। গ্রন্থনের বাবা বেসরকারি কর্মী, আর মা শিক্ষিকা। তাঁরাও গ্রন্থনের এই ফলাফল বিশ্বাস করতে পারছে না।












Click it and Unblock the Notifications