কংগ্রেস-সিপিএমকে ঢুকতে বাধা! আসানসোলে রাজ্যপালের সঙ্গে বিজেপির বৈঠক নিয়ে বিতর্ক
আসানসোল সার্কিট হাউসে রাজনৈতিক দল হিসেবে শুধুমাত্র বিজেপির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করে বিতর্ক বাড়ালেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। সাধারণ মানুষ ওনার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন করবে বলেছেন তৃণমূল মহাসচিব
আসানসোলে সার্কিট হাউসে রাজনৈতিক দল হিসেবে শুধুমাত্র বিজেপির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করে বিতর্ক বাড়ালেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পরেই বিজেপির দুই সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যপাল। সাধারণ মানুষ ওনার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন করবে বলেছেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তীও।

শনিবার সকাল ১১ টা ৫ নাগাদ আসানসোল সার্কিট হাউসে পৌঁছন রাজ্যপাল। প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের সময়ই সেখানে হাজির হন বিজেপির পশ্চিম বর্ধমানের জেলা সভাপতি লক্ষ্মণ ঘোড়ুই এবং বিজেপির অপর নেতা পবন কুমার সিং। প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পরেই এই দুই নেতার সঙ্গে বৈঠক করেন কেশরীনাথ ত্রিপাঠী। দুই নেতা রাজ্যপালকে স্মারকলিপি দিয়ে অভিযোগ করেন, বেছে বেছে বিজেপির লোকদের ধরা হচ্ছে। রাজ্যপালের কাছে সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগের আবেদন করেছেন তাঁরা।
পরে রানিগঞ্জ ও আসানসোলের পরিস্থিতি ঘুরে দেখে রাজ্যপালের মন্তব্য অশান্তি দুর্ভাগ্যজনক। শান্তি বজায় রাখার আবেদন করেছেন রাজ্যপাল। কলকাতায় ফিরে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যপাল। তবে পুলিশের ভূমিকায় তিনি সন্তুষ্ট কিনা, তা নিয়ে কোনও উত্তর দিতে চাননি রাজ্যপাল।
আসানসোল মহকুমায় একাধিক জায়গা পরিদর্শনে সাধারণ মানুষের অভিযোগের কথা শোনেন রাজ্যপাল। একে অপরের ধর্মীয় রীতিকে সম্মানের আবেদন করেন রাজ্যপাল।
এদিন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীকে আসানসোল প্রবেশে বাধা দেয় পুলিশ। কাল্লা রোডে ২ নম্বর জাতীয় সড়কে তাঁর পথ আটকায় পুলিশ। সেই সময় অবরোধ শুরু করেন কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা।
অন্যদিকে, সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তীকেও সেখানে প্রবেশে বাধা দেয় পু্লিশ। কল্যাণপুরে দলীয় অফিসে বসেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে তাঁর বক্তব্য রাখেন।












Click it and Unblock the Notifications