কীসের ভিত্তিতে বিএসএফের এক্তিয়ার নিয়ে প্রস্তাব পাস? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তথ্য তলব রাজ্যপালের
কীসের ভিত্তিতে বিএসএফের এক্তিয়ার নিয়ে প্রস্তাব পাস? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তথ্য তলব রাজ্যপালের
ফের একবার রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে সংঘাতের পথে রাজভবন! গত কয়েকদিন আগেই শপথ বাক্য পাঠ করানো নিওয়ে স্পিকারের সঙ্গে কার্যত সম্মুখ সমর তৈরি হয় জগদীপ ধনকরের। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শপথ বাক্য পাঠ করানো নিয়ে একপ্রকার জটিলতা তৈরি হয়। সেই সমস্যা মিটতেই সম্প্রতি চার জয়ী চার বিধায়ককে নিয়েও তৈরি হয় জটিলতা। স্পিকার নয়, ডেপুটি স্পিকারকেদিয়ে শপথ বাক্য পাঠ করাতে হবে বলে নির্দেশ দেন রাজ্যপাল। যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়। আর এর মধ্যেই ফের একবার সংঘাতের পথে রাজ্যপাল।

বিধানসভায় প্রস্তাব পাস
বাংলায় বিএসএফের ক্ষমতা বেড়েছে। সীমান্ত থেকে ৫০ কিমি এলাকা পর্যন্ত তাঁদের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। আর এখানেই আপত্তি শাসকদলের। কেন্দ্রীয় ক্ষমতা জাহিরের চেষ্টা বলে অভিযোগ তৃণমূলের। শুধু তাই নয়, বিএসএফের ক্ষমতাবৃদ্ধি এক্তিয়ার বহিভুত বলেও দাবি তৃণমূলের। আর এই মর্মে সম্প্রতি বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ করানো হয়। বিএসএফের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই প্রস্তাব পাঠানো হয়। যদিও এই সিদ্ধান্ত প্রবল বিরোধীতা করেন বিজেপি বিধায়করা।

প্রস্তাব পাশ নিয়েই প্রশ্ন রাজ্যপালের
গত কয়েকদিন আগেই রাজ্য বিধানসভায় এই প্রস্তাব পাশ করানো হয়। আর এই বিষয়ে সমস্ত তথ্য চেয়ে পাঠালেন রাজ্যপাল ধনখড়। বিএসএফের এক্তিয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতা করে রাজ্য সরকার যে প্রস্তাব পাশ করেছে সে বিষয়ে তথ্য তলব করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, কীসের ভিত্তিতে প্রস্তাব পাশ সেই তথ্য তলব করা হয়েছে। অর্থাৎ এই বিষয়ে যাবতীয় তথ্য দেখতে এবং জানতে চেয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। অর্থাৎ কত ভোটাভুটিতে এই প্রস্তাব পাশ হল, প্রস্তাবে কী বলা হয়েছিল, কারা বক্তা ছিলেন, তাঁদের বক্তব্য কী ছিল গোটা বিষয়টাই তিনি জানতে চান বলে সূত্রের খবর।

কীসের ভিত্তিতে স্বাধিকার ভঙ্গ!
রাজ্যপাল ধনখড় তাঁর সোশ্যাল মিডিয়াতে সেই সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরেছেন। শুধু তাই নয়, যে চিঠি পাঠিয়েছেন সেটিও তুলে ধরেছেন। আর সোশ্যাল মিডিয়াতে রাজ্যপাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়লে ট্যাগ করেছেন। রাজনৈতিকমহলের মতে, এই নিয়ে নতুন করে তৈরি হতে পারে সংঘাত। পাশাপাশি আরও বেশ কিছু তথ্য তলব করেছেন রাজ্যপাল ধনখড়। সিবিআই ও ইডির বিরুদ্ধে প্রিভিলেজ সংক্রান্তও সমস্ত তথ্য চেয়েছেন তিনি। গত কয়েকদিন আগে দুই কেন্দ্রীয় সংস্থার বিরুদ্ধেই স্বাধিকার ভঙ্গের নোটিশ আনা হয়। তা আনেন শাসকদলের দুই বিধায়ক। আর সেই বিষয়ে তথ্য তলব করা হয়েছে।
|
বিএসএফ ইস্যুতে চড়ছে পারদ
বিএসএফ ইস্যুতে ক্রমশ চড়ছে উত্তেজনার পারদ। শাসকদলের দাবি, বিএসএফকে কাজে লাগিয়ে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করছে কেন্দ্র। যদিও বিজেপির পাল্টা দাবি, যেভাবে সীমান্তে চোরাকারবারী সহ অন্যান্য জালিয়াতি বাড়ছে সেখানে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত সঠিক। আর তা অমান্য করা উচিৎ নয় বলেই মত বিরোধী দলনেতা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোতে আঘাত বলে ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে চীঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও সেই উত্তর আসেনি। তবে মাসের শেষেই দিল্লি যাচ্ছেন মমতা। দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেই। সেখানেই এই বিষয়ে সরব হবেন বলে খবর।












Click it and Unblock the Notifications