C. V. Ananda Bose: নিরপরাধদের বন্দুকের নলের সামনে রাখা হচ্ছে! গণতন্ত্র লঙ্ঘিত, তোপ রাজ্যপালের
C. V. Ananda Bose: লোকসভা নির্বাচন মিটে গিয়েছে বেশ কয়েকদিন হয়ে গিয়েছে। দিল্লির মসনদে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। কিন্তু এখনও শান্ত না বাংলা। ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত বিভিন্ন জেলায়। আতঙ্কে বহু মানুষ ঘর ছাড়া। এই অবস্থার জন্য রাজ্যকে দায়ী করে তীব্র আক্রমণ শানালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।
তাঁর মন্তব্য, সাংবিধানিক কর্তব্য পালনে রাজ্য সরকার ব্যর্থ। ভোট মিটলেও বাংলায় অশান্তি এখনও থামেনি। এজন্য পুলিশ প্রশাসনকেও একহাত নেন রাজ্যপাল (C. V. Ananda Bose)।

তাঁর (Governor of West Bengal) দাবি, প্রশাসন নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। আর সেজন্য বাংলার গণতন্ত্র লঙ্ঘিত হচ্ছে। নিরপরাধ মানুষদের বন্দুকের নলের সামনে রাখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের। এই বিষয়ে প্রশাসনকে এবং রাজ্য সরকারকে সংবিধান মেনে কাজের বার্তাও দেন।
রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের কথায়, এমন ঘটনা কোনও সভ্য সমাজে হতে পারে না। যদিও এহেন মন্তব্যকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, রাজ্যপাল সাংবিধানিক পদে থেকে বিজেপির ভাষায় কথা বলছে। অবিলম্বে রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথাও এদিন বলেন কুণাল। তাঁর দাবি, রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রাজনীতি করুন উনি বিজেপির হয়ে।
বলে রাখা প্রয়োজন, কলকাতা সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে রাজ্য বিজেপি কার্যালয়ের পাশে রয়েছে মাহেশ্বরী ভবন। সেখানেই দুশো জন ঘরছাড়া বিজেপি কর্মী আশ্রয় নিয়েছেন। আজ শুক্রবার সেই ঘরছাড়াদের সঙ্গেই দেখা করতে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।
বৃহস্পতিবার ঘর ছাড়া এই বিজেপিকর্মীদের নিয়ে রাজভবনে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু পুলিশ কাউকে ঢুকতে দেয়নি। ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। এই কারণ দেখিয়ে সবাইকে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখা হয় বলে অভিঝগ। আর সেই খবর পেয়েই আজ শুক্রবার মাহেশ্বরী ভবন পৌঁছে যান রাজ্যপাল।
#WATCH | On meeting with victims of post-poll violence, West Bengal Governor CV Ananda Bose says, "The background of the incident that took place yesterday is the unpardonable act from the government of preventing the victims of violence from airing their grievances with the… pic.twitter.com/KitevJBnaW
— ANI (@ANI) June 14, 2024
শুধু মাহে শ্বরী ভবন নয়, কলকাতা এবং জেলার বিভিন্ন ক্যাম্প অফিসে রাখা হয়েছে বিজেপি কর্মীদের। অভিযোগ, চার তারিখ ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই বিভিন্ন ভাবে হামলা করা হয়েছে ওই সমস্ত কর্মীদের উপর। এমনকি মুচলেখা দিয়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি আক্রান্তদের। প্রত্যেক ঘটনায় কার্যত অভিযোগের তির স্থানীয় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দিকে। যদিও বাংলায় শান্তিপূর্ণ অবস্থা রয়েছে বলেই দাবি রাজ্য প্রশাসনের।












Click it and Unblock the Notifications