হাওড়া-বালির পৃথকীকরণ বিতর্কের অবসান হবে! এজির সঙ্গে আলোচনা চান রাজ্যপাল

হাওড়া পুরসভার সংশোধনী বিল বিতর্কে আটকে রয়েছে ভোট। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বিল নিয়ে আপত্তি তোলায় হাওড়া ও বালি পুরসভার পৃথকীকরণ প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছে। তা নিয়ে মামলাও হয়েছে হাইকোর্টে।

হাওড়া পুরসভার সংশোধনী বিল বিতর্কে আটকে রয়েছে ভোট। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় বিল নিয়ে আপত্তি তোলায় হাওড়া ও বালি পুরসভার পৃথকীকরণ প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছে। তা নিয়ে মামলাও হয়েছে হাইকোর্টে। এই অবস্থায় রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলের সঙ্গে আলোচনা করতে চাইলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

হাওড়া-বালির পৃথকীকরণ : এজির সঙ্গে আলোচনা চান রাজ্যপাল

সম্প্রতি রাজ্যপাল বিলটি আটকে রাখায় হাওড়া পুরসভার ভোটঘোষণা ফের স্থগিত রাখতে হয় নির্বাচন কমিশনকে। কলকাতার সঙ্গে হাওড়ার ভোট করার পরিকল্পনা করেছিল নির্বাচন কমিশন। তখন একবার তা স্থগিত রাখা হয়। তারপর ফের বাকি পাঁচ পুরনিগমের ভোট একসঙ্গে করতে চেয়েছিল কমিশন, তাও সম্ভবপর হল না রাজ্যপাল বিলটি আটকে রাখায়। চার পুর নিগমে ভোট হচ্ছে ২২ জানুয়ারি।

এদিকে বিলটি রাজভবনে আটকে থাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আগে থেকেই বলে আসছেন, কেন রাজ্যপাল বিলটি আটকে রেখেছেন তা বলতে পারব না। বিষয়টি রাজ্যপালই বলতে পারবেন, কেন তিনি আটতে রেখেছেন। রাজ্যপাল এ প্রসহ্গে বলেন, হাওড়া ও বালি পুরসভা পৃথকীকরণ বিলটি প্রথমত বিচারাধীন। তারপর গত ২৪ নভেম্বর এই বিল নিয়ে অধ্যক্ষের কাছে কিছু জানতে চেয়েছিলাম আমি। কিন্তু সেই জবাব আজ পর্যন্ত পাইনি। উল্টে বিরোধিতা শুরু করা হয়েছে।

রাজ্যপাল বলেন, যদি প্রয়োজন মনে হয়, বিলটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাব। শনিবার এই মর্মে তিনি একটি টুইট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, হাওড়া মিউনিসিপ্যাল অ্যামেন্ডমেন্ট বিল সম্পর্কিত সব তথ্য অ্যাডভোকেট জেনারেলকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রাজ্যপালকে জানাবেন। আর তা যত দ্রুত সম্ভব হবে, তত দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে।

সম্প্রতি হাওড়া পুরসভা সংশোধনী বিলে রাজ্যপাল স্বাক্ষর করেছেন বলে রটনা তৈরি হয়। তা নিয়ে রাজ্যপাল স্পষ্টতই জানিয়ে দেন, ওই বিলে তিনি কোনও সই করেননি। প্রসঙ্গল উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই হাইকোর্টে বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের বেঞ্চে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, হাওড়া বিলে সই করেছেন রাজ্যপাল। এ নিয়ে রাজ্যপালের টুইটের পর আদালতে ভুল স্বীকার করেন অ্যাডভোকেট জেনারেল।

২০১১ সালে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর হাওড়া পুনিগমের সঙ্গে বালি পুরসভাকে মিশিয়ে দিয়েছিল। ফলে হাওড়ার ৫০টি ওয়ার্ড এবং বালির ১৬টি ওয়ার্ডে নিয়ে মোট ৬৬টি ওয়ার্ড হয়েছিল পুরনিগমের। এখন আবার বালি পুরসভাকে আলাদা করার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। বালিকে ফের পৃথক পুরসভা হিসেবে ১৬টি ওয়ার্ড ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেইমতো বিধানসভায় পাস হয় সংশোধনী বিল। তাতে রাজ্যপালের সই না হওয়া পর্যন্ত আইনে পরিণত হবে না বিলটি। সেই বিলে এখনও পর্যন্ত সেই করেননি রাজ্যপাল। তিনি এ বিষয়ে কিছু তথ্য চান। তার জন্য তিনি রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেলের সঙ্গে আলোচনা চাইলেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+