কেউ ব্লক করতে পারেন না! 'ট্যাগ' ছাড়াই মমতাকে জবাব 'অপমানিত' রাজ্যপালের
রাজ্যপাল-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংঘাত চরমে। কার্যত বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দেগেছেন জগদীপ ধনখড়। কার্যত এহেন মন্তব্যের পরেই মুখ দেখাদেখি বন্ধ প্রশাসনিক এবং সংবিধানিক প্রধানের।
রাজ্যপাল-মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংঘাত চরমে। কার্যত বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দেগেছেন জগদীপ ধনখড়। কার্যত এহেন মন্তব্যের পরেই মুখ দেখাদেখি বন্ধ প্রশাসনিক এবং সংবিধানিক প্রধানের। আর তা স্পষ্ট ধরা পড়েছে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে।
রাজ্যপাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে গেলেও তিনি বলেননি। আর এরপরেই আজ টুইটারে ব্লক ধনখড়কে। আর এরপরেই সংঘাতে নয়া মাত্রা যোগ হয়েছে।

মমতাকে জবাব ধনখড়ের
নবান্নে রাজ্যপালকে ব্লক করে দেওয়ার ঘোষণার কয়েক মিনিটের মাথাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পালটা জবাব দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। একেবারে সংবিধানের ধারা তুলে ধরে প্রশাসনিক প্রধানকে আক্রমণ। শুধু তাই নয়, একের পর এক টুইটে তোপ তাঁর। সোশ্যাল মিডিয়াতে মমতাকে আক্রমণ করে জগদীপ ধনখড় লেখেন, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৫৯-এ বলা আছে, সাংবিধানিক নিয়ম-নীতি এবং আইনের শাসনকে কেউ ব্লক করতে পারেন না।দায়িত্বপ্রাপ্তদের উচিত দেশের সংবিধানের প্রতি আস্থা রাখা।'

ট্যাগ করতে পারলেন না ধনখড়
অন্যদিকে এই বিষয়ে একগুচ্ছ বিশ্লেষণও করে এরপর বেশ কয়েকটি টুইট করেছেন ধনখড়। তাঁর দ্বিতীয় টুইটে ভারতীয় সংবিধানের ১৬৭ ধারা মমতাকে মনে করান তিনি। সেখানে লেখেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে রাজ্যপালকে জানানো। শুধু তাই নয়, কেন সমস্ত তথ্য তাঁকে দেওয়া হচ্ছে না তা নিয়েও তোপ ধনখড়ের। তবে ব্লক করে দেওয়ার জন্যে দুটি টুইটে মমতাকে ট্যাগ করতে পারলেন বাংলার গর্ভনর।

মমতা বলেন...
এদিন সাংবাদিক বৈঠকে কার্যত রাজ্যপাল ইস্যুতে মেজাজ হারান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, রীতিমত আক্রমণাত্বক হয়ে ওঠেন। বলেন, তাঁকে (পড়ুন-জগদীপ ধনখড়) অপসারণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে চারটি চিঠি লিখেছিলাম আমি। কিন্তু এরপরেও কেন্দ্রের তরফে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে কার্যত এদিন একেবারে আক্রমনাত্বক ভূমিকাতে দেখা যায় রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানকে। শুধু তাই নয়, বহু ফাইল রাজভবনে আটকে রেখেছেন বলেও দাবি তাঁর। ওনার জন্যে হাওড়া এবং বালি পুরসভার মানুষ কষ্ট পাচ্ছে বলেও তোপ দাগেন এদিন মমতা।

শুরু হয়ে রাজনৈতিক চাপানোতর
মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চাপানোতর। তৃণমূলের দাবি, পদ্মপাল ত্যাগ করে ভালোই করেছেন নেত্রী। এটি অনেক আগেই করা উচিৎ ছিল বলেও দাবি নেতৃত্বের। যদিও বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, রাজ্যপাল সংবিধান মেনে চলছেন। আর তা নিতে পারছেন না তিনি। আর সেই কারনেই এভাবে রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান সংবিধানিক প্রধানের কাছ থেকে পালাতে চাইছেন বলে দাবি বিজেপি নেতার।
-
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
কালিয়াচক কাণ্ডের পর ফের অশান্তি! অমিত শাহ-র রোড শো ঘিরে ভবানীপুরে ধুন্ধুমার, হাতাহাতি তৃণমূল-বিজেপির -
প্রবল ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া, আতঙ্কে পথে মানুষ -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি












Click it and Unblock the Notifications