ভোট মিটতেই নারদকাণ্ড নিয়ে তৎপরতা, ৩ বর্তমান বিধায়ক-সহ ৪ জনকে চার্জশিট দিতে সিবিআইকে সম্মতি ধনখড়ের
নারদ মামলায় জড়িত তৎকালীন চার মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে সিবিআইকে (cbi) অনুমতি দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (jagdeep dhankhar)। বিধায়ক হিসেবে নয়, মন্ত্রী (minister) থাকার কারণেই চারজনের বিরুদ্ধে এই অনুমতি দেওয়া
নারদ মামলায় জড়িত তৎকালীন চার মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে সিবিআইকে (cbi) অনুমতি দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (jagdeep dhankhar)। বিধায়ক হিসেবে নয়, মন্ত্রী (minister) থাকার কারণেই চারজনের বিরুদ্ধে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে রাজভবনের তরফ। এই চারজনের মধ্যে দুজন ফিরহাদ হাকিম এবং সুব্রত মুখোপাধ্যায় সোমবার মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন।

২০১৪-তে নারদ স্টিং অপারেশন
২০১৪ সালে কলকাতায় নারদ স্টিং অপারেশন চালিয়েছিলেন সাংবাদিক ম্যাথু স্যামুয়েল। ২০১৬-র নির্বাচনের মুখে স্টিং অপারেশনের ওই ভিডিও বিজেপি অফিস থেকে প্রকাশ করা হয়েছিল। গোপন ক্যামেরার সামনে একের পর এক নেতাকে টাকা নিতে দেখা গিয়েছিল। এরমধ্যে থেকেই একাধিক নেতা পরবর্তী সময়ে বিজেপিতে যোগ দেন।

সিবিআই-এর অনুমতির আবেদনে ছাড়পত্র
সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ৪ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনের ৭ নম্বর ধারায় চার্জশিট পেশের জন্য রাজ্যপালের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। এদিন তাতেই সম্মতি জানিয়েছেন রাজ্যপাল। রাজভবন থেকে জারি করা বিবৃতি অনুযায়ী, সংবিধানের ১৬৩ ও ১৬৪ ধারা অনুযায়ী, রাজ্য সিবিআই থেকে চাওয়া অনুমতিতে সম্মতি দিয়েছেন।

বিধায়ক হিসেবে নয়, মন্ত্রী হিসেবেই অনুমতি
রাজভবন থেকে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে বিধায়ক হিসেবে নয়, যেই সময়ে এই ঘটনা ঘটেছিল সেই সময়ে সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায় রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন। এই চারজনের মধ্যে সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম সোমবার রাজভবনে নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন। অন্যদিকে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের তৃণমূলে ফেরা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। যদিও এনিয়ে এদিন তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

শুভেন্দু অধিকারীর ক্ষেত্রে সিবিআই-এর অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন
প্রশ্ন উঠছে, তাহলে একই কাণ্ডে অপর অভিযুক্ত শুভেন্দু অধিকারীর ক্ষেত্রে কেন রাজ্যপালের অনুমোদন চাইল না সিবিআই। এব্যাপারে সিবিআই-এর সূত্রে জানিয়েছে, তিনি বর্তমানে বিধায়ক হলেও, যে সময় এই ঘটনা ঘটেছিল, সেই সময় তিনি সাংসদ ছিলেন। ফলে সেক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে লোকসভার অধ্যক্ষের অনুমতি চাওয়া হবে।












Click it and Unblock the Notifications