শপথ নিয়ে রাজ্য-রাজভবন বিবাদ তুঙ্গে, স্পিকারের বিরুদ্ধে নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে চিঠি দিচ্ছেন রাজ্যপাল
রুল জারি করে বিধায়কদের শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন স্পিকার। সায়ন্তিকা-রেয়াতদের শপথ গ্রহণের পরেও জটিলতা চরমে উঠল। রাজ্য-রাজভবন সংঘাত তুঙ্গে। এবার স্পিকারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির কাছে নালিশ জানাতে চলেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।
প্রায় ১ মাস পরে আজ বিধানসভায় শপথ নিলেন বরানগরের বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোাধ্যায় এবং রেয়াত হোসেন। স্পিকার বিধানসভায় রুল জারি করে শপথ বাক্য পাঠ করান। তার আগে বিধানসভায় স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন যে রাজ্যপালকে জানিয়েও তিনি শপথ গ্রহণ করাননি। তাই আজ স্পিকার তাদের শপথ গ্রহণ করান।

এদিকে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাজ্যপালের সোশ্যাল মিডিয়ায় টুইটকে গুরুত্ব দিতে নারাজ স্পিকার। তাঁর কথায়, "রাজ্যপাল রাষ্ট্রপতির কাছে যাওয়ায় আমি খুশি। আমরা আগেই রাষ্ট্রপতিকে জানিয়েছিলাম। রাজ্যপালের কোনও কথার জবাব আমি দেব না। ওনার কোনও ক্ষমতা নেই স্পিকারকে অপসারণ করার।
এদিকে স্পিকারের এই কাজকে অসাংবিধানিক বলে জানিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি অভিযোগ করেছেন বিধানসভায় স্পিকার দুই সাংসদকে শপথ বাক্য পাঠ করিয়ে অসাংবিধানিক কাজ করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস জানিয়েছেন, এই শপথ গ্রহণ সাংবিধানিক। এবং এই নিয়ে তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে রিপোর্ট পাঠাবেন।
এক মাস ধরে রাজ্যের দুই বিধায়কের শপথ গ্রহণ নিয়ে টানা পোড়েন চলছে। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী বিধানসভায় শপথ বাক্য পাঠ করেন বিধায়করা। তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল। কিন্তু চার জুন বরানগর এবং ভগবানগোলার দুই বিধায়কের শপথ বাক্য পাঠ করানো নিয়ে চরম জটিলতা তৈরি হয়েছিল।
প্রায় ১ মাস ধরে রাজ্যপালের অপেক্ষায় বসেছিলেন দুই বিধায়ক। রাজ্যপালকে চিঠিও দিয়েছিলেন সায়ন্তিকা এবং রেয়াত। কিন্তু সেই চিঠিতে কোনও কাজ হয়নি। রাজভবনে গিয়ে শপথ বাক্য পাঠ করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু কে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। তারপরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেছিলেন রাজভবনে যেতে ভয় পাচ্ছে মেয়েরা।












Click it and Unblock the Notifications