মুখ্যমন্ত্রীর থেকে কেন্দ্রীয় তহবিলের ১.১৭ লক্ষ কোটি টাকার হিসেব চাইলেন রাজ্যপাল বোস
দিন কয়েক পরেই দুর্গাপুজো। বাঙালির সব থেকে বড় উৎসবের আগেও কি মুখ্যমন্ত্রী বনাম রাজ্যপাল সংঘাত চলবে? সেই ইঙ্গিত আরও জোরালো হচ্ছে। কারণ, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস টাকার হিসাব চেয়েছেন। কেন্দ্র থেকে বিভিন্ন খাতে ২০২৩ - ২৪ অর্থবর্ষে টাকা এসেছে। সেই টাকার খরচের হিসেব চেয়েছেন রাজ্যপাল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে এই হিসেব যাওয়া হয়েছে বলে খবর।
১.১৭ লক্ষ কোটি টাকা কেন্দ্রীয় খাতে রাজ্যে এসেছে। সেই টাকা ২০২৩ - ২৪ সালে কীভাবে ব্যবহার বা খরচ হয়েছে? সেই বিষয় জানতে চেয়েছেন রাজ্যপাল বোস। শুধু তাই নয়, রাজ্য সরকার বিধানসভায় বেশ কয়েকটি ক্যাগ রিপোর্ট জমা দেয়নি। সেই কথাও উল্লেখ আছে বলে খবর।

বিধানসভায় কয়েকটি কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) রিপোর্ট জমা না দেওয়ায় সাংবিধানিক দায়িত্ব লঙ্ঘণ হয়েছে। এই কথাও শোনা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ২০২৩ - ২৪ আর্থিক বছরে কেন্দ্রীয় তহবিলের ১.১৭ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। ওই তহবিলের ব্যাপক অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের আর্থিক পরিস্থিতি একাধিক আর্থিক ঝুঁকি এবং জনসাধারণের আর্থিক ব্যবস্থাপনার মুখোমুখি হচ্ছে। এই কথাও সূত্র মারফত জানা গিয়েছে।
তাঁর চিঠিতে, গভর্নর ২০১৮ -১৯ সালে আনুমানিক ৩৩,৫০০ কোটি টাকা থেকে ২০২২ - ২৩ সালে প্রায় ৪৯ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি বৃদ্ধি সহ বেশ কয়েকটি বিষয়ও তুলে ধরেন। যেখানে জিএসডিপি ঋণ অনুপাত ৩৫.৬৯ শতাংশ থেকে বেড়েছে। একই সময়ের মধ্যে ৩৭ শতাংশের বেশি। বোস উল্লেখ করেছেন, রাজ্য সরকার ঋণ পরিশোধের জন্য পাবলিক ঋণের প্রাপ্তির উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যবহার করে ২০২১ - ২২ থেকে ২০২২ - ২৩ পর্যন্ত।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) ছয়টি রিপোর্ট রাজ্য বিধানসভায় উপস্থাপন করা হয়নি। যার মধ্যে রয়েছে কমপ্লায়েন্স অডিট রিপোর্ট ২০২০ - ২০২১ ( ২০২২ সালের রিপোর্ট নং ২), অডিট রিপোর্ট ২০২০ - ২০২১ ( ২০২২ সালের রিপোর্ট নং ৩), স্টেট ফিনান্সেস অডিট রিপোর্ট ( এসএফএআর) ২০২১ - ২০২২ ( ২০২৩ সালের রিপোর্ট নং ১), অডিট রিপোর্ট ২০২১ - ২০২২ (২০২৩ সালের রিপোর্ট নং ২), পারফরম্যান্স এবং কমপ্লায়েন্স অডিট রিপোর্ট ২০২১ - ২০২২ (রিপোর্ট নং ১, ২০২৪) স্টেট ফিনান্সেস অডিট রিপোর্ট (SFAR) ২০২২ - ২০২৩ (রিপোর্ট নং ২, ২০২৪)।
সর্বশেষ, রাজ্যপাল রাজ্য সরকারকে আর্থিক ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং মন্ত্রিসভার সামনে তা উপস্থাপন করার আহ্বান জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications