'বাংলার গণতন্ত্র বন্দি গ্যাস চেম্বারে'! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বিস্ফোরক রাজ্যপাল
'বাংলার গণতন্ত্র বন্দি গ্যাস চেম্বারে'! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বিস্ফোরক রাজ্যপাল
ফের একবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের। এবার ফের একবার প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে আক্রমন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানকে। তাঁর মতে, এই মুহূর্তে বাংলার গণতন্ত্র একটা গ্যাস চেম্বারে বন্দি। একাধিক ইস্যুতে বারবার তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছেন রাজ্যপাল। ভোট পরবর্তী হিংসা থেকে জিটিএ নির্বাচন নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। সম্প্রতি বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন নিয়েও রাজ্যকে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন রাজ্যপাল। যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর এই বিতর্কের মধ্যেই কার্যত বোমা ফাটালেন জগদীপ ধনখড়।

গণতন্ত্র নিয়ে তোপ ধনখড়ের
আজ শুক্রবার এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাজ্যপাল। আর সেখানেই কার্যত একের পর এক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি বলেন, বাংলার মানুষ খুবই ভিত এবং সন্ত্রস্ত। ভয়ে মানুষ মুখ খুলতে পারে না। আর তা ব্যাখ্যা করতেই রাজ্যপালের সাফ মন্তব্য, "gas chamber for democracy"। আর তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। তৃণমূলের এক নেতার দাবি, উনি ভালো কিছু দেখতে পাননা। রাজ্যের উন্নয়নের দিকগুলি দেখতে পান না। যদিও ওনার বক্তব্য ধরার কিছু নেই বলেও দাবি ওই তৃণমূল নেতার।

রাজ্যপালের বক্তব্যে ভোট পরবর্তী হিংসা
ওই অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল আরও বলেন, চলতি বছরের মে মাসে ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরে ভয়ঙ্কর হিংসার ঘটনা ঘটেছিল বাংলাতে। এমনকি রাজ্যের মানবাধিকার কমিশনের ভুমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি । ধনখড় বলেন, আমাকে বলা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কমিশনের দায়িত্বে রয়েছে। কিন্তু সেটাও আইসিইউ'তে চলে গিয়েছে বলে দাবি তাঁর। এমনকি সংবিধানকে পর্যন্ত মানা হয়না বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ ধনখড়ের। তাঁর মতে, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে বাংলার বিধানসভাতে মাত্র দুবার আমি আমার বক্তব্য রাখতে পেরেছি। কিন্তু দুবার তা ছিল আমার কাছে একটা কালো।

মমতাকে আক্রমণ রাজ্যপালের
ওই সম্মেলনে রাজ্য সরকারকে কার্যত চাঁচাছোলা আক্রমন ধনখড়ের। তিনি আরও বলেন, নিয়ম অনুযায়ী রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ভিসি হিসাবে মনোনীত হন রাজ্যপাল। কিন্তু সেই সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে vice-chancellor পদ নিয়োগ করা হয় আমার অজান্তেই। এই বিষয়ে কিছুই আমার জানা থাকে না বলে দাবি তাঁর। আর এই কথা বলতে গিয়েই সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিষয়ে তোপ দাগেন ধনখড়। বলেন, গিত দুবছরে একাধিক বিষয়ে তথ্য চেয়েছিলেন। কিন্তু কোনও প্রশ্নের উত্তর তাঁকে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রাজ্যপালের।












Click it and Unblock the Notifications