ডিএ মামলায় ধাক্কা সরকারি কর্মীদের, সুপ্রিমের পর হাইকোর্টেও পিছল শুনানি
ডিএ মামলায় ধাক্কা সরকারি কর্মীদের, হাইকোর্টেও পিছল শুনানি! সুপ্রিমে শুনানি ফেব্রুয়ারিতে
হাইকোর্টেও পিছল ডিএ সংক্রান্ত মামলা। সুপ্রিম কোর্ট ডিএ মামলা এদিনই পিছনোর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়। তারপর ডিএ সংক্রান্ত আদালত অবমাননা মামলার সিদ্ধান্ত নেয় হাইকোর্টও। সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা অন্তত তিন সপ্তাহ শুনানির সম্ভাবনা নেই। আর হাইকোর্টের মামলাটি শুনানির সম্ভাবনা আগামী ফেব্রুয়ারিতে।

সুপ্রিম কোর্টের পর এদিন ডিএ সংক্রান্ত আদালত অবমাননার মামলা পিছিয়ে দেওয়া হয় হাইকোর্টেও। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ফের একবার এই মামলার শুনানি হবে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তচের ডিভিশন বেঞ্চে।
রাজ্যের তরফে সু্প্রিম কোর্টে জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি জানানো হয়। তারপরই ডিভিশন বেঞ্চ আদালত অবমাননার মামলার শুনানি পিছিয়ে দেয়। তারপর হাইকোর্ট শুনানি পিছিয়ে দিল ফেব্রুয়ারির ৮ তারিখে। এতদিন পিছিয়ে যাওয়ায় ডিএ মামলায় ধাক্কা খেলেন সরকারি কর্মীরা।
সম্প্রতি ডিএ নিয়ে রাজ্যের মামলা শুনতে রাজি হয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়। কিন্তু তারপরে স্বস্তি মিলল না সরকারি কর্মীদের। ডিএ মামলার শুনানি ফের পিছিয়ে দেল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ আশা করেছিল, সুপ্রিম কোর্ট থেকে মামলাটি ফিরবে হাইকোর্টে।
মহার্ঘভাতা নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেছিল রাজ্য সরকার। তা তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল গত মাসে। নির্ধারিত হয়েছিল ২৮ নভেম্বর সেই মামলা শুনবেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি। কিন্তু প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় তা তালিকাভুক্ত করলেও শুনানি পিছিয়ে যায় ৫ ডিসেন্বর পর্যন্ত।
কলকাতা হাইকোর্টে সম্প্রতি নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্যভাতা বা ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে। তা রাজ্য সরকারের মৌলিক অধিকার, রাজ্যের দয়ার দান নয়। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের আবেদনে জানিয়েছিল, এই বকেয়া ডিএ মেটাতে গেলে অর্থকোষে বড়সড় প্রভাব পড়বে। তাই বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার।
সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি গড়ালেও তা হাইকোর্টে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন সরকারি কর্মীরা। রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার আবেদন করেছিল ৩ নভেম্বর। সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করার প্রায় তিন সপ্তাহের মাথায় তা তালিকাভুক্ত হয়। ২৮ নভেম্বর এই মামলার শুনানির কথা থাকলেও তা পিছিয়ে গেল। ২০ মে হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ডিএ না দেওয়ায় আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হয়েছিল। তিনটি রাজ্য সরকারি কর্মচারী সংগঠন মামলা দায়ের করে রাজ্যের বিরুদ্ধে।












Click it and Unblock the Notifications