এক ধাক্কায় চাঙ্গা অর্থনীতি, ১০ ঘণ্টায় মদ বেচে পশ্চিমবঙ্গের আয় ১০০ কোটি
করোনা লকডাউনের তৃতীয় দফায় সর্বত্র খুলে দেওয়া হয়েছে মদের দোকান। রেড, অরেঞ্জ, গ্রিন কোনও কিছুতেই ভেদাভেদ রাখা হয়নি।
করোনা লকডাউনের তৃতীয় দফায় সর্বত্র খুলে দেওয়া হয়েছে মদের দোকান। রেড, অরেঞ্জ, গ্রিন কোনও কিছুতেই ভেদাভেদ রাখা হয়নি। আর সেই ছাড়ের জোয়ারে ভাসছে আসমুদ্রহিমাচল। সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং তুড়িতে উড়িয়ে ভোর রাত থেকে মদের দোকানে গাদাগাদি ভিড়। এতে একটা লাভ অবশ্য হয়েছে ১০ ঘণ্টায় ১০০ কোটি টাকা আয় করেছে রাজ্য সরকার।

১০০ কোটি টাকা আয়
শুধু মাত্র মদ বিক্রি করে ১০ ঘণ্টায় ১০০ কোটি টাকা আয় করেছে রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত মদ বিক্রি করে ৬৫ কোটি টাকা আয় হয়েছে। দিশি, বিদেশি উভয় মদের বিক্রিতে পাল্লা দিয়ে আয় বেড়েছে। মদ বিক্রেতারা দাবি করেছেন সাধারণ সময়ের মতো মদের দোকান খুলে রাখালে আয় ১০০ কোটি ছাপিয়ে যেত। এদিকে আবার মদের হোম ডেলিভারিও শুরু হয়েছে। তাতে বিক্রি আরও বাড়বে বলে মনে করছে আবগারি দফতর।

মদ বিক্রিতে ছাড়
তৃতীয় দফার লকডাউনে মদ বিক্রিতে ছাড় দেওয়া হয়েছে। ৪ মে থেকে মদের দোকান খুলেছে গোটা দেশে। তার জেরে উৎসবের আমেজ। কোথাও পুজো হচ্ছে তো কোথাও বাজি ফাটছে। কোথাও আবার পুষ্পবৃষ্টি হচ্ছে। সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মাথায় উঠেছে। ভিড় সরাতে একাধিক জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। কোথাও কোথাও লাঠিচার্জও করেছে পুলিস। দিল্লিতে আবার মদ ক্রেতাদের দেশের অর্থনীতি দাবি করে পুষ্পবৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে।

কোষাগার ভরছে মদের টাকায়
করোনা লকডাউনের কারণে গোটা দেশেই সরকারের কোষাগারে করুণ অবস্থা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্র রাজ্য উভয়ই ফান্ড সংকটে ভুগছেন। রাজ্যের বছরে ১৭০০ থেকে ১৮০০ কোটি টাকা আয় হয় মদ বিক্রি করে। গত দেড় মাসে সেই টাকায় ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। কিন্তু ১০ ঘণ্টায় যেভাবে মদ বিক্রি হয়েছে তাতে সেই পরিমাণ টাকা কোষাগারে ঢুকতে বেশিদিন সময় লাগবে না।












Click it and Unblock the Notifications