গঙ্গাসাগরে এবার রেকর্ড পুণ্যার্থী সমাগমের সম্ভাবনা, কখন হবে পুণ্যস্নান?
এ বছর গঙ্গাসাগর মেলায় দেড় কোটিরও বেশি পুণ্যার্থীর রেকর্ড সমাগম আশা করা হচ্ছে। কপিল মুনি আশ্রমের প্রধান পুরোহিত স্বামী জ্ঞানদাস মহারাজের উত্তরসূরী মোহন্ত সঞ্জয় দাস আজ এ কথা জানান।
তাঁর মতে, এবারে কুম্ভমেলা না হওয়ায় গঙ্গা ও বঙ্গোপসাগরের সঙ্গমস্থলে অবস্থিত কপিল মুনি মন্দিরে সনাতনী হিন্দু পুণ্যার্থীদের ভিড় বাড়বে। তিনি আরও যোগ করেন, "আমরা আশা করছি যে এই বছর দেড় কোটিরও বেশি মানুষ তীর্থযাত্রা করবেন।"

মোহন্ত সঞ্জয় দাস মন্দিরের সামনে উপকূলভাগের ভাঙন রোধে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপও চাইলেন। তিনি উল্লেখ করেন, ভরা জোয়ারে মন্দিরটি জল থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে থাকে। দাস দাবি করেন, "মন্দিরটিকে বাঁচাতে কেন্দ্র সরকারকে আন্তরিকভাবে ভাঙনের সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে।"
শত শত বছর ধরে দুটি মন্দির ইতিমধ্যেই সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়েছে। বর্তমান কপিল মুনি মন্দিরটি এই স্থানে তৃতীয়বারের নির্মাণ। ভাঙন প্রতিরোধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের পদক্ষেপের প্রশংসা করে মোহন্ত সঞ্জয় দাস জানান, মন্দির কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, সাগরদ্বীপকে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্নকারী মুড়িগঙ্গা নদীর উপর প্রস্তাবিত সেতুটি পুণ্যার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য বিরাট আশীর্বাদ। মুখ্যমন্ত্রী কাল যার শিলান্যাস করবেন। দাস মন্তব্য করেন, "এটা খুব ভালো একটি প্রকল্প।"
রামসেতুর দৃষ্টান্ত টেনে তিনি আরও বলেন, "ভগবান রাম যেমন রামেশ্বরমকে লঙ্কার সঙ্গে যুক্ত করতে রামসেতু তৈরি করেছিলেন; দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) তেমনই গঙ্গাসাগরের পুণ্যার্থীদের সুবিধার জন্য এই সেতুটি নির্মাণ করছেন।" পুরোহিত জানান, এবারের মকর সংক্রান্তির পুণ্যস্নান ১৪ জানুয়ারি রাত ৯টা ১৯ মিনিট থেকে ১৫ জানুয়ারি বেলা ১টা ১৯ মিনিটের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি যোগ করেন, "পুণ্যার্থীরা ১৫ জানুয়ারি সারাদিন স্নান করতে পারবেন, কারণ বেলা ১টা ১৯ মিনিটের পরেও শুভ মুহূর্তের প্রভাব আট ঘণ্টা বজায় থাকবে।"












Click it and Unblock the Notifications