তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা কাকলি ঘোষ দস্তিদারের, এবার কোন পথে সাংসদ?
তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার দলীয় সব পদ থেকে পদত্যাগ করলেন। লোকসভার মুখ্য সচেতকের পদ হারানোর পর কাকলিপ একের পর এক সিদ্ধান্ত চমকে দিচ্ছে সকলকে।
মঙ্গলবার তৃণমূলের নেতা সুব্রত বক্সিকে পাঠানো চিঠিতে তিনি খাদ্য ও শিক্ষা দুর্নীতি, আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসকের রহস্যজনক মৃত্যু ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগের মতো বিষয়গুলি উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি, এসব ঘটনা তাঁকে ব্যথিত করেছে।

তাঁর চিঠিতে কাকলি এক "অশিক্ষিত, অভদ্র" সাংসদের বিরুদ্ধে এক মহিলা সাংসদের প্রতি অশালীন আচরণের অভিযোগ এনেছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা না পেলে পদে থাকা অর্থহীন বলেও তিনি মন্তব্য করেন। দলের কৌশলী সংস্থা I-PAC-এর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এই প্রবীণ সাংসদ।
সমস্ত সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতির অনুরোধ জানিয়ে সুব্রত বক্সিকে চিঠি দিলেও, কাকলি ঘোষ দস্তিদার সাধারণ তৃণমূল কর্মী হিসেবেই থাকতে চেয়েছেন। উল্লেখযোগ্য, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ডাকা একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার পরেই তাঁর পদত্যাগের খবর সামনে এসেছে, যা রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বাড়ায়।
এই 'বিদ্রোহের' সূত্রপাত ঘটে গত ১৪ মে, যখন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাটে সাংসদদের বৈঠকে তাঁকে লোকসভার মুখ্য সচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দেন। তাঁর জায়গায় শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর পরপরই কাকলি ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, "৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪ থেকে পথচলা শুরু। ৪ দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।"
মুখ্য সচেতকের পদ হারানোর দশ দিনের মধ্যেই, গত রবিবার তিনি তৃণমূলের বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দেন। সেসময় তিনি দলের একাংশের বিরুদ্ধেও তোপ দাগেন।
কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পরবর্তী ভূমিকা কী হতে চলেছে, তা নিয়ে ফের তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications