Sandip Ghosh Arrested: গ্রেফতার 'পাওয়ার ফুল' সন্দীপ! পদত্যাগের পর থেকে কীভাবে এগোল ঘটনাক্রম?

Sandip Ghosh Arrested: আরজি করের (RG Kar Hospital Death) ঘটনায় উত্তাল বাংলা। এর মধ্যেই গ্রেফতার আরজি কর হাসপাতাল এবং মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। আর এরপরেই উচ্ছ্বাস আন্দোলনরত জুনিয়ার ডাক্তারদের। উচ্ছ্বাস ফুটে ওঠে সোশ্যাল মিডিয়াতেও। ঘটনার পর থেকেই সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, প্রশ্ন উঠেছে কতটা প্রভাবশালী তিনি।

কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে 'পাওয়ার ফুল' লোক তকমাও দিয়েছিল। প্রশ্ন উঠেছিল শীর্ষ আদালতেও। সেই ডাক্তারবাবু এখন সিবিআই'য়ের ঘরে! কিন্তু আরজি কর খুন-ধর্ষণের ঘটনায় কীভাবে এগোল ঘটনাক্রম? নজরে দেখুন-

Sandip Ghosh Arrested

৯ অগাস্ট- আরজি করের সেমিনার হল থেকে উদ্ধার হল চেস্ট মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক-ছাত্রীর দেহ। ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ শুরু করেন হাসপাতালের জুনিয়ার ডাক্তাররা। প্রশ্নে ওঠে সন্দীপ ঘোষের ভুমিকা নিয়ে। জুনিয়ার ডাক্তাররা অভিযোগ তোলেন, প্রিন্সিপালকে নাকি দেখাই যায়নি।

১২ অগাস্ট - হাসপাতালের সামনে সন্দীপ ঘোষ জানালেন অধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন তিনি। বললেন, মেয়ের মৃত্যুর দায় নিয়ে বাবা হিসাবে পদত্যাগ করছি। ওইদিনই স্বাস্থ্য ভবনে গিয়ে ইস্তফা পত্র জমা দেন সন্দীপ। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সরকারি চাকরি আর করবেন না।

সন্দীপ ইস্তফা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের জানান, প্রিন্সিপালকে অন্য জায়গায় কাজ দেওয়া হচ্ছে। এর কয়েক ঘন্টা পর দেখা যায়, স্বাস্থ্য ভবনের বিজ্ঞপ্তিতে ন্যাশানাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে নাম রয়েছে সন্দীপ ঘোষের।

১৩ অগাস্ট- সিবিআই তদন্তের দাবিতে মামলা হল কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামলার শুনানিতে সন্দীপ ঘোষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠল। মামলার শুনানিতে সন্দীপ ঘোষকে লম্বা ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। সেদিনই মামলার তদন্ত ভার সিবিআই'য়ের হাতে তুলে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।

১৪ অগাস্ট- ঘটনার প্রতিবাদে মেয়েদের রাত দখল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে আরজি কর। ব্যাপক ভাঙচুর হয়। তার আগে ঘটনাস্থলে হঠাত কাজ করা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়। এর মধ্যেই এই ঘটনায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে প্রমাণ লোপাটের।

১৫ অগাস্ট- এর মধ্যেই একের পর এক আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। এমনকি বর্জ্য সহ 'বেওয়ারিশ লাশ' পাচারের অভিযোগ সামনে আসে।

২০ অগাস্ট- সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে হঠাত ততপর হল পুলিশ। আর্থিক দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করল সিট। রুজু হল মামলা। এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও রুজু করেন আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ আখতার আলি।

২৩ অগাস্ট- আরজি করের আর্তঘিক দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন রাজর্ষী ভরদবাজ। সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যান সন্দীপ ঘোষ। যদিও সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহাল থাকে। এরপরেই আর্থিক দুর্নীতি মামলায় এফআইআর দায়ের করে সিবিআই।

২৪ অগাস্ট- ধর্ষণ এবং খুনের মামলার তদন্তে সন্দীপ ঘোষকে লাগাতার জেরা করছে সিবিআই। আরজি কর হাসপাতালে গিয়ে তদন্ত করছেন আধিকারিকরা। আর এই বিতর্কের মধ্যেই ন্যাশানাল মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষের পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয় সন্দীপ ঘোষকে।

২৫ অগাস্ট- সকালেই সন্দীপ ঘোষের বাড়ি পৌঁছে গেলেন তদন্তকারীরা। দীর্ঘ তল্লাশিতে একাধিক নথি উদ্ধার। '

২৭ অগাস্ট- আদালতের নির্দেশে পলিগ্রাফ টেস্ট করে সিবিআই।

২ সেপ্টেম্বর- সন্দীপ ঘোষকে জেরার আজ ছিল ১৫ তম দিন। সিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই দপ্তরে সকালেই পৌঁছে যান। শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। এদিন সন্ধ্যেবেলায় নিজাম প্যালেসের সিবিআই এর দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন। গ্রেফতার করে সেখান থেকে সন্দীপ ঘোষকে নিয়ে নিজাম প্যারিসে নিয়ে যান।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+