কামদুনি থেকে সন্দেশখালি, রাজ্য সরকারকে সরাসরি নিশানা করলেন শুভেন্দু
বিধানসভার ভিতর আক্রমণাত্মক বক্তব্য রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য সরকারকে অপরাজিতা বিল ইস্যুতে সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি৷ শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বক্তব্যে সেই মত প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি তৃণমূল সরকারের প্রতি ক্ষোভও তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে।
বাম জমানার মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রসঙ্গে তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, " আমরা ২৩৫, ওরা ৩০। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সেই কথাটা মনে আছে তো? বিধানসভার আসন সংখ্যা নয়। গণতন্ত্রে মানুষ শেষ কথা বলে।"

তিনি আরও বলেন, " মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন। ন্যায় সংহিতায় তো সব কভার করা হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডের কথাও আছে। নির্ভয়ার সময় মৃত্যুদণ্ড হয়নি? নতুন কিছু না। শুধু আন্দোলন থামাও, দৃষ্টি ঘোরাও। এর বাইরে আর কিছু নেই। "
রাজ্য সরকারের কাছে প্রশ্নও ছুঁড়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, " কেন্দ্রীয় সরকার পক্সো, ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট নিয়ে যা বলেছে সেগুলো একটাও রাজ্য করেনি। কেন করেনি? আপনার পারফরম্যান্স বিচার হবে না? "
তৃণমূল সরকারকে বিধানসভাতেই খোঁচা দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, " রাজ্য সরকার রিপোর্ট পাঠানো বন্ধ করে দিল। ২০১৬ সালে দার্জিলিংয়ে একটা ঘটনা ঘটল। ২০২২ সাল জলপাইগুড়ি। ২৩ সালে আবার ঘটনা, মিরিক, শিলিগুড়িতে। ২৪ সালে আবার জলপাইগুড়ির ঘটনা। এগুলো সিবিআই নেয়নি। কিছু করতে পেরেছেন আপনি? "
এদিন শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে যথেষ্ট জোরালো কণ্ঠস্বর রাখেন। স্পর্শকাতর বিষয় বলেই এবার শাসক দলের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয়নি৷ শাসক দল তো বটেই মুখ্যমন্ত্রীকেও নিশানা করলেন তিনি। বিধানসভাতেই বললেন, " দফা এক, দাবি এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ।"
এদিন শুভেন্দু আরও বলেন, " গোটা রাজ্যের কথা বলতে গেলে সময় পাব না। ২০২১ সালের পর বগটুই, হাসখালি, সন্দেশখালির ঘটনা। ময়নাগুড়িতে নগ্ন করে হাঁটানো। সিবিআই নেয়নি। পুলিশ অ্যাকশন নিয়েছে? "
কামদুনি মামলা প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, " কামদুনির কেসে কত আইনজীবী বদলেছেন? ১৪ জন। ২০১৬ থেকে ২৩ কী কী ঘটেছে দেখুন। তারপরও আসামিরা বেকসুর খালাস।"












Click it and Unblock the Notifications