সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা! গ্রেফতার তৃণমূল বিধায়কের আপ্ত-সহায়ক
সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ। গত কয়েকদিন আগেই এই বিষয়ে মারাত্মক অভিযোগ সামনে আসে। আর এরপরেই ঘটনার তদন্তে নামে দুর্নীতিদমন শাখা। আর এরপরেই নদিয়ার তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার আপ্তসহায়ক
সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ। গত কয়েকদিন আগেই এই বিষয়ে মারাত্মক অভিযোগ সামনে আসে। আর এরপরেই ঘটনার তদন্তে নামে দুর্নীতিদমন শাখা। আর এরপরেই নদিয়ার তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার আপ্তসহায়ককে গ্রেফতার করা হল। ধৃত ওই ব্যক্তির নাম প্রবীর কয়াল বলে জানা যাচ্ছে।

শুধু প্রবীরই নয়, তাঁর আরও দুই সঙ্গীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ধৃত দুজনের নাম শ্যামল কয়াল এবং সুনীল মণ্ডল বলে জানা যাচ্ছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে ২৫ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।
তবে এই ঘটনার সঙ্গে বিধায়কের নাম জড়িয়ে পড়ায় অস্বস্তি বেড়েছে তৃণমূলের। যদিও এই বিষয়ে দলীয় নেতৃত্বের তরফে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহা জানিয়েছেন, ধৃত ওই আপ্ত-সহায়কের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক ছিল না। এমনকি আইন আইনের পথেই চলবে বলেই জানিয়েছেন বিধায়ক।
জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে রায়দিঘিতে হানা দেন দুর্নীতিদমন শাখার আধিকারিকরা। এরপর হাতেনাতে ধৃতদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
তবে এই ঘটনায় বিধায়ক এই বিষয়টি অস্বীকার করলেও ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। বিজেপি সহ বিরোধীদের দাবি, রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি ঢুকে গিয়েছে। এই ঘটনা সেটাই প্রমাণ। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, ঘটনায় ধৃতদের আজ আদালতে তোলা হবে। এবং নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্যে আবেদন জানানো হবে।
তবে ধৃতদের গ্রেফতারের পর থেকে দফায় দফায় জেরা করা হচ্ছে তদন্তকারীদের তরফে। কতদিন ধরে এই প্রতারণা চক্র চলছে। এর পিছনে বড় কোনও মাথা রয়েছে কিনা সেই সমস্ত বিষয় ধৃতদের জেরা করে জানার চেষ্টা করা হবে বলে খবর।
জানা যায়, গত ২৯ এপ্রিল দুর্নীতিদমন শাখা'র আধিকারিকদের কাছে খবর আসে এই বিষয়ে। যেখানে জানা যায়, রায়দিঘির কিছু এলাকায় অবৈধ লেনদেন হচ্ছে। আর এরপরেই তদন্তে নামে তদন্তকারীরা। তবে গত কয়েকদিন আগে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ জানিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বেশ কয়েকটি চিঠি যায়।
যার মধ্যে কয়েকটি তেহট্ট এবং করিমপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে পাঠানো হয়। এমনকি তাতে তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধেও অভিযোগ ওঠে। যদিও প্রমাণ করতে পারলে ইস্তফা দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বিধায়ক। আর এরপরেও বিষয়টি নিয়ে পুলিশমহলে নড়চড় বলে খবর। আর সেই তদন্তেই প্রবীর কয়াল গ্রেফতার বলে জানা যাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications