পঞ্চম পর্বের ভোটের আগে ট্র্যাক বদল! প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ যোগ দিলেন তৃণমূলে
প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ তথা ব্যাঙ্কক এশিয়াডে সোনাজয়ী অ্যাথলিট যোগ দিলেন তৃণমূলে। ২০০৪ সালে কৃষ্ণনগর থেকে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৯ সালেও ফের প্রার্থী করা হয়েছিল জ্যোতির্ময়ীকে।
প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ তথা ব্যাঙ্কক এশিয়াডে সোনাজয়ী অ্যাথলিট যোগ দিলেন তৃণমূলে। ২০০৪ সালে কৃষ্ণনগর থেকে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন।
২০০৯ সালেও ফের প্রার্থী করা হয়েছিল জ্যোতির্ময়ীকে। কিন্তু তিনি হেরে যান তাপস পালের কাছে। গত বিধানসভা ভোটে সোনারপুর উত্তর কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।

২০০৪ সালে রাজনীতিতে জ্যোতির্ময়ী
কার্যত ২০০৪ সালে রাজনীতিতে যোগ দেন ব্যাঙ্কক এশিয়াডে সোনাজয়ী অ্যাথলিট জ্যোতির্ময়ী শিকদার। তৎকালীন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক অনিল বিশ্বাস-সহ অন্যরা
ঠিক করেন কৃষ্ণনগর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কোনও অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। কার্যত অনিল বিশ্বাসের পরামর্শে জ্যোতিময়ীকে রাজি করান সুভাষ চক্রবর্তী।

সরকারের সমালোচনায় সরব ছিলেন জ্যোতির্ময়ী
পর পর নির্বাচনে হারলেও রাজনীতি ছাড়েননি জ্যোতিময়ী শিকদার। নারী নির্যাতন-সহ বিভিন্ন ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে
গিয়েছন তিনি।

হতবাক সিপিএম নেতৃত্ব
এদিন নিউটাউনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা শুরুর আগেই সেখানে পৌঁছে যান জ্যোতিমরয়ী। তাঁকে বিধাননগরের বিধায়ক সুজিত বসু এবং বিধাননগর কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কৃষ্ণা চক্রবর্তীর পাশে বসে থাকতে দেখা যায়। এই ঘটনায় কার্যত হতবাক সিপিএম নেতৃত্ব। সিপিএম-এর দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সম্পাদক শমীক লাহিড়ী বলেন,
নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। দিন কয়েক আগেও রক্তদান শিবিরে গিয়েছিলেন। কেন তৃণমূলে যোগ, সেবিষয়ে কোনও কারণ বলতে পারেননি তিনি।












Click it and Unblock the Notifications