তন্ত্রসাধনায় বন্যপ্রাণীর দেহাংশ, কোথা থেকে এলো? বিশেষ তদন্ত কমিটি গড়ল বনদফতর
দমদমের প্রাইভেট রোড উদ্ধার বন্যপ্রাণীর দেহাংশ, মাথার খুলি
দমদমের প্রাইভেট রোডে বন্যপ্রাণীর দেহাংশ উদ্ধারের ঘটনায় বিশেষ তদন্ত কমিটি গড়ল লাল বাজার। উত্তরবঙ্গের ৩ জন ও দক্ষিণবঙ্গের ১ জন আধিকারিক থাকবেন টিমে। টিপ এসেছিল মেঘালয় থেকে। একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে এই খবর দিতে। সেই নম্বরটি মেঘালয়ের। মনে করা হচ্ছে যে কালো হরিণের চামড়া বা বাঘের দাঁত নখ মিলেছে তা বাইরে থেকে এসেছে। সম্ভবত উত্তর পূর্বের কোনও রাজ্য থেকে।

বুধবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে নাগের বাজারের প্রাইভেট রোডের একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়
বন্য প্রাণীর একাধিক দেহাংশ। পুলিশ জানতে পেেরছে আমবাগান এলাকার ওই বাড়িতে চলত তন্ত্রসাধনা। পারিবারিক অশান্তির জেরেই গোটা ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। জানা গিয়েছে বংশ পরম্পরায় রাখাল চৌধুরী তাঁর ছেলে সৌরভ চৌধুরী তন্ত্রসধনা করতেন। এই পরিবারের আরো বেশ কয়েকজন নানান সময়ে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত।
সৌরভের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী রাখী শাস্ত্রীর মনমালিন্য ছিল। এবং এই মনমালিন্যের জেরেই তিনি সৌরভের বিরুদ্ধে বন্য প্রাণীর দেহাংশ রাখার অভিযোগ জানান। প্রথমে লালবাজারে বিষয়টি জানান রাখী। বনদপ্তররের অধীনস্থ ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল বিউরো এরপর নাগেরবাজার থানার পুলিশকে নিয়ে তদন্তে নামে। বুধবার রাতে ওই বাড়িতে হানা দেয় বনদপ্তর ও নাগেরবাজার থানার পুলিশ। বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বাঘের নখ দাঁত, হরিণের চামড়া ও সিং এছাড়াও বেশ কয়েকটি মাথার খুলি ও অন্যান্য প্রাণীর দেহাংশ বাজেয়াপ্ত হয়।
এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত সৌরভ চৌধুরী এখনও পলাতক। তার বাবা রাখাল চৌধুরী ও প্রতিবেশী দুলাল চৌধুরীকে ইতিমধ্যে বনদপ্তর আটক করে নাগেরবাজার থানার পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। প্রাণীর দেহাংশ ইতিমধ্যে পরীক্ষাগারে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। থেকে উদ্ধার হওয়া পশুর দেহাংশ কোথা থেকে এল জানতে বিশেষ তদন্তকারী টিম গঠন করল বন দফতর তাতে উত্তরবঙ্গের ৩ জন ও দক্ষিণবঙ্গের ১ জন আধিকারিক থাকবেন টিমে। টিপ এসেছিল মেঘালয় থেকে। একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে এই খবর দিতে। সেই নম্বরটি মেঘালয়ের। মনে করা হচ্ছে যে কালো হরিণের চামড়া বা বাঘের দাঁত নখ মিলেছে তা বাইরে থেকে এসেছে। সম্ভবত উত্তর পূর্বের কোনও রাজ্য থেকে।












Click it and Unblock the Notifications