সিকিমে বেড়াতে গিয়ে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! মৃত বাংলার ৫
সিকিমে বেড়াতে গিয়ে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। মৃত্যু হয়েছে বাংলার ৫ পর্যটকের। মৃতদের মধ্যে তিনজন হুগলির হরিপালের এবং দুজন শ্যামবাজারের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।
সিকিমে বেড়াতে গিয়ে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। মৃত্যু হয়েছে বাংলার ৫ পর্যটকের। মৃতদের মধ্যে তিনজন হুগলির হরিপালের এবং দুজন শ্যামবাজারের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। দেহ সনাক্ত করতে পরিবারের সদস্য গিয়েছেন গ্যাংটক। পলাতক ট্যাক্সিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ে করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, যে গাড়িতে করে পর্যটকরা যাচ্ছিলেন সেই গাড়িটি গ্যাংটক-নাথুলা রোডের সাত মাইল এলাকায় প্রায় ৪০০ মিটার গভীর খাদে পড়ে যায়। সেই গাড়িটিতে চারজন শ্যামবাজারের বাসিন্দা ছিলেন। চারজন ছিলেন হুগলির বাসিন্দা। এছাড়াও একজন সিকিমের বাসিন্দাও ছিলেন। হুগলির হরিপালের বন্দিপুরের বাসিন্দা দিলীপ বসুকে
সোমবার বাড়িতে ফোন করে বিষয়টি জানান। ওই ব্যক্তি জানান, এই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে রবিবার। হিন্দি ও বাংলার মিশ্রনে কথা বলা ওই ব্যক্তি জানান,
মৃতরা হলেন, সন্দীপ কর, সোমা কর, সোমার কাকা স্নেহাশিস বসু, তাঁর স্ত্রী কাকলি এবং তাঁদের ছেলে শুভ্রজিত। পরিবারের সদস্য দিলীপ বসুকে দেহ সনাক্তকরণের
জন্য গ্যাংটক যেতে অনুরোধ করা হয়।
ফোনে ওই ব্যক্তি আরও জানান, এই দলের অপর দুই সদস্য, সন্দীপ কর ও সোমা করের মেয়ে সৌম্যা এবং ছেলে সূর্য হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন।
হুগলির হরিপালের বাসিন্দা দিলীপ বসু বিষয়টি শ্যামবাজারের কর পরিবারে জানান। তিনি জানিয়েছেন, পরিবারের সদস্যরা ইতিমধ্যেই গ্যাংটকের উদ্দেশে রওনা দিয়ে দিয়েছেন।
জানা গিয়েছে, স্নেহাশিস, কাকলি এবং শুভ্রজিৎ হুগলির হরিপালের বাসিন্দা। তাঁদের আত্মীয় সোমা ও সন্দীপ থাকতেন শ্যামবাজারে। মৃতদের মধ্যে শুভ্রজিত গ্যাংটকের এসটিএনএম হাসপাতালে মারা যান। বাকিদের মৃত্যু হয় দুর্ঘটনাস্থলেই। বাকি দুই আহতের মধ্যে রয়েছেন হুগলির বাসিন্দা মহুয়া পাত্র।
ট্যাক্সি চালক সুরেশ তামাং-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। কেননা সে পালিয়ে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications