রেলপথে জুড়ল উত্তর-দক্ষিণ, ‘বানভাসি’ সুধানি ব্রিজ পাড়ি প্রথম যাত্রীবাহী ট্রেনের
২৩ দিন বন্ধ ছিল উত্তর ও দক্ষিণের ট্রেন চলাচল। উত্তরের ভয়াবহ বন্যায় মাটি ধুয়ে রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। গত ১১ আগস্ট সেতু ভেসে যাওয়ার পর ৩ সেপ্টেম্বর শুরু হল ট্রেন পরিষেবা।
অবশেষে রেলপথে জুড়ল উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ। নির্ধারিত দিনেই শুরু হল রেল যোগযোগ। রবিবার প্রথম যাত্রীবাহী ট্রেন হাওড়া থেকে নিউ জলপাইগুড়ি হয়ে গেল ডিব্রুগড়। এদিন সকাল ১০টা নাগাদ সুধানি ব্রিজ দিয়ে পার হয় কামরূপ এক্সপ্রেস। ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ার পর স্বস্তি ফিরল যাত্রীদের। রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, এবার ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে পরিস্থিতি।

২৩ দিন বন্ধ ছিল উত্তর ও দক্ষিণের ট্রেন চলাচল। উত্তরের ভয়াবহ বন্যায় মাটি ধুয়ে রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। গত ১১ আগস্ট সেতু ভেসে যায় বন্যার তোড়ে। ১০ দিন পর জল নামলে সেতু সারানোর কাজ শুরু হয়। রাতদিন এক করে কাজ শুরু করেন রেলকর্মীরা। তারপর সেনা নামিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সুধানি সেতু মেরামত করা হয়।
সপ্তাহখানেক আগেই রেল সূত্রে বলা হয়েছিল, ৩ সেপ্টেম্বর রেল যোগাযোগ শুরু হবে। সেইমতোই নির্ধারিত দিনেই রেল যোগাযোগ শুরু হল। তার আগে পরীক্ষামূলকভাবে মালগাড়ি চালানো হয়েছে ওই ব্রিজের উপর দিয়ে। পরীক্ষায় পাসের পর অবশেষে এদিন যাত্রীবাহী ট্রেন গেল সেতুর উপর দিয়ে। ফের কলকাতা-হাওড়ার সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে উঠল উত্তরবঙ্গ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের।
এদিন মেরামত করা সেতুটির উপর দিয়ে খুব ধীর গতিতে ট্রেনটি চালানো হয়। ১০-২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেনটি অতিক্রম করে সুধানি নদী। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, খুব শীঘ্রই ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে। নতুন করে বিপর্যয় না ঘটলে পুজোর সময় নিশ্চিন্তে উত্তরে পাড়ি দিতে পারবেন ভ্রমণপিপাসু বাঙালিরা।












Click it and Unblock the Notifications