উপনির্বাচনের দিন জানালেই পুরসভার ভোটের তারিখ জানাবে রাজ্য! সাফ জানালেন মমতা
বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে বিধানসভা উপ-নির্বাচন হওয়ার কথা। যার মধ্যে রয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। নন্দীগ্রামে এবার শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরেছেন নেত্রী মমতা। ফলে নিয়ম অনুযায়ী ছয়মাসের মধ্যেই ভোটে দাঁড়িয়ে জিতে আ
বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে বিধানসভা উপ-নির্বাচন হওয়ার কথা। যার মধ্যে রয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। নন্দীগ্রামে এবার শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরেছেন নেত্রী মমতা। ফলে নিয়ম অনুযায়ী ছয়মাসের মধ্যেই ভোটে দাঁড়িয়ে জিতে আসতে হবে তাঁকে।

বিধানসভার ভোট মিটে গিয়েছে কয়েক মাস হয়ে গিয়েছে। হাতে আর কয়েকমাস বাকি। এই অবস্থায় ফের একবার কমিশনকে হুঁশিয়ারি ছুঁড়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন কমিশন এখনও ভোট করাচ্ছে না তা নিয়েও এদিন প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে পুরভোট করা নিয়ে প্রশ্ন করা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সে প্রসঙ্গে কার্যত চ্যালেনঞ্জ ছুঁড়ে তিনি বলেন, কেন্দ্র উপনির্বাচনের দিন জানালেই পুরসভার ভোটের তারিখ জানাবে রাজ্য।
শুধু তাই নয়, রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান বলেন, পুরসভা ভোট তো ঘরের ব্যাপার। যে কোনও দিন করানো যেতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে মমতা বলেন, এখন পরিস্থিতি অনেকটাই ঠিক আছে। ভোট করাতেও কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু নির্বাচন কমিশন কেন এখনও দিন ঘোষণা করছে না তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মমতা।
তবে পুর নির্বাচন নিয়ে মমতার স্পষ্ট জবাব, নির্বাচন কমিশন উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করলেই রাজ্য পুরসভা নির্বাচনের দিন জানানো হবে।
উল্লেখ্য, করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রার্থীদের মৃত্যু হওয়ায় মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরে ভোট স্থগিত হয়ে গিয়েছিল । করোনা আক্রান্ত হয়ে ফল বেরনোর আগেই মৃত্যু হয় খড়দহের তৃণমূল প্রার্থীর। অন্যদিকে দিন কয়েক আগে করোনায় প্রয়াত হয়েছেন গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর।
এছাড়াও শান্তিপুর এবং দিনহাটা আসন দুটি থেকে পদত্যাগ করেছেন বিজেপির দুই সাংসদ জগন্নাথ সরকার এবং নিশীথ প্রামাণিক। অন্যদিকে ভবানীপুর আসনে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করায় আসনটি শূন্য রয়েছে।
বলা প্রয়োজন, বুধবারও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের ফাঁকা থাকা বিধানসভা আসনগুলিতে দ্রুত নির্বাচনী প্রক্রিয়া শেষ করার দাবি তুলেছেন।
এর জন্য তিনি বলেছেন, ভোটের প্রচারের জন্য সাত দিন সময় দিলেই যথেষ্ট। কেননা এই মুহূর্তে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications